অস্ট্রেলিয়ার পেসবান্ধব উইকেটে বাংলাদেশের বড় অস্ত্র হতে পারতেন নাহিদ রানা। কিন্তু চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সফরে খেলা হবে না ডানহাতি এ পেসারের। এ নিয়ে আফসোস হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের। নাহিদ রানাকে নিয়ে আক্ষেপ থাকলেও টাইগারদের নিয়ে আশাবাদী তিনি। অস্ট্রেলিয়া সফরে ১৩ থেকে ১৭ই আগস্ট প্রথম টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্ট মাঠে গড়াবে ২২শে আগস্ট। এ দুই টেস্টে টাইগারদের ট্রাম্পকার্ড হতে পারতেন নাহিদ রানা। সেখানে তার বাউন্সার দেখতে চেয়েছিলেন সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে আমিও খুব রোমাঞ্চিত ছিলাম যে কবে দেখবো নাহিদ অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারদের বাউন্সার মারছে। আমি নিজেও অনেক রোমাঞ্চিত ছিলাম যে নাহিদ রানা খেলবে। যেহেতু হয়নি, এখানে হা-হুতাশ করে লাভ নেই।’ নাহিদ রানাই নন, চোটের কারণে পেসার শরীফুল ইসলামও প্রথম টেস্টের দলে নেই।
লিটন কুমার দাস শেষ সময়ে স্কোয়াডে জায়গা পেলেও ডানহাতি এ ব্যাটারের চোট নিয়ে ঝুঁকি নেবে না টিম ম্যানেজম্যান্ট। পেসবান্ধব কন্ডিশনে বাংলাদেশর ভরসা তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন ও মুশফিক হাসান। তাদের ওপর আস্থা রাখছেন সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি অন্য বোলার যারা আছে, তারাও যদি একটু বুদ্ধি করে বল করতে পারে, আমি মনে করি তারাও অনেক ভালো করবে।’ আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে ৪ ম্যাচে দুই জয়, এক ড্র ও এক হারে তালিকার চারে বাংলাদেশ। ৭ জয় ও এক হার নিয়ে শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া। তাদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলার পর দক্ষিণ আফ্রিকায় সমান ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ভালো খেলে সেরা তিনে থাকার ব্যাপারে আশাবাদী সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাইরে যে চারটা টেস্ট আছে, আমি আশা করবো সেখান থেকে আমরা ভালো কিছু ম্যাচ বের করতে পারবো।
দেশে আমাদের চারটা ম্যাচ আছে, সেই চারটা যদি জিতে যাই তাহলে আমার মনে হয় শীর্ষ এক, দুই ও তিনের মধ্যে থাকতে পারবো।’ দলের সামগ্রিক প্রস্তুতি ও মানসিকতা নিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘টেস্ট দল নিয়ে আমি সবসময় আশাবাদী। আমার কাছে মনে হয় টেস্ট দলে যারা খেলে তারা নিজেদের সম্পর্কে অনেক ভালো সচেতন এবং নিজেদের লক্ষ্যটা তারা ভালো জানে, অন্যদের চেয়ে গোছানো। আমার কাছে মনে হয় এখানে ভালো না হওয়ার আসলে যুক্তি দেখি না। তাদের ইচ্ছে বা লক্ষ্য বলেন... বাস্তবিক অর্থে তারা অনেক ভালো কিছু চিন্তা করে।’
