ইনফান্তিনোকে আরো ৩০ বছর দেখতে চান ট্রাম্প

ইনফান্তিনোকে আরো ৩০ বছর দেখতে চান ট্রাম্প

ফন্ট সাইজ:

বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ফিফা) সভাপতি হিসেবে এক দশক পূর্ণ করলেন জিয়ান্নি ইনিফান্তিনো। আগামী বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় নির্বাচিত হলে আরও পাঁচ বছর একই ভূমিকায় থাকতে পারবেন তিনি। তবে ইনফান্তিকে আরও ৩০ বছর ফিফা সভাপতি হিসেবে দেখতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

ফিফাপ্রধান হিসেবে গত ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১০ বছর পূরণ করেন ইনফান্তিনো। এ উপলক্ষে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক অভিনন্দনবার্তায় ট্রাম্প লেখেন, ‘ফিফা সভাপতি হিসেবে ১০ বছর পূর্ণ করায় জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে অভিনন্দন। কী দারুণ একজন নেতা তিনি! আশা করি, তিনি আরও ১০, ২০ বা ৩০ বছর সেখানে থাকবে।’ ২০১৫তে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কেলেঙ্কারিতে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ১৭ বছর ধরে ফিফা সভাপতির চেয়ারে থাকা সেফ ব্লাটার। তখন দুর্নীতির অভিযোগে নিষিদ্ধ হন ইউরোপিয়ান ফুটবল সংস্থার (উয়েফা) সভাপতি মিশেল প্লাতিনিও। সে সময় উয়েফার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন ইনফান্তিনো। এরপর সংস্থাটির বিকল্প প্রার্থী হিসেবে ফিফা সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জয়ী হন তিনি।

এরপর ২০১৯ ও ২০২৩-এ ফিফা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হন ইনফান্তিনো। ব্লাটারের বিদায়ের পর ফিফা কংগ্রেসে সিদ্ধান্ত হয়, কোনো সভাপতি ৩ মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ১২ বছর কেউ ফিফাপ্রধান হিসেবে থাকতে পারবেন। ব্লাটারের মতো দীর্ঘমেয়াদি এবং একচেটিয়া ক্ষমতা রোধ করার জন্য তখন এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এরপর কাতারে ২০২২-এর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিল সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ইনফান্তিনোর ২০১৬-২০১৯ সময়কাল সর্বোচ্চ ১২ বছর মেয়াদের মধ্যে গণনা করা হবে না। এর কারণ হিসেবে তখন এ সময়কালকে ‘অসম্পূর্ণ’ বলে উল্লেখ করা হয়। তাই ২০২৭-এ ইনফান্তিনোকে আরেকবার একই ভূমিকায় দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে, তার ১২ বছরের মেয়াদের ইতি ঘটবে ২০৩১-এ।

ফিফা সভাপতি হিসেবে ১০ বছর পূর্তিতে এক বার্তায় ইনফান্তিনো বলেন, গত এক দশকে ফিফা ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে এবং সংস্থাটি পুনরায় ফুটবলের মূল স্রোতের সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় ফিফা গুরুতর শাসনব্যবস্থাগত সংকটের সম্মুখে ছিল। সে সময় সদস্য দেশগুলোর ফুটবল সংস্থাগুলো সংস্কার, স্বচ্ছতা ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন পথ বেছে নেয়।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন