রংপুর শহরে একসময় বেশ কয়েকটি সিনেমা হল থাকলেও ব্যবসায়িক মন্দার কারণে ধীরে ধীরে হলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ টিকে থাকা শাপলা টকিজও শুক্রবার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হলটির মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সাইদুর রহমান সুমন। তিনি বলেন, হলটি ভাড়ায় পরিচালনা করা হচ্ছিল। কিন্তু ভাড়াটিয়া চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে সেখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। তিনি বলেন, আমাদের পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। হলটির প্রতিষ্ঠাতা আমার চাচা মরহুম মাসুম মিয়া ছিলেন অত্যন্ত স্বনামধন্য ব্যক্তি।
তার প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলবে, তা মেনে নেয়া সম্ভব হয়নি। রংপুর চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই হলটি বন্ধ করা হয়েছে। এদিকে, এই হল বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে হলশূন্য হলো রংপুর। এখানে আর কোনো সিনেমা দেখার প্রেক্ষাগৃহই অবশিষ্ট রইলো না। পাকিস্তান আমলে রংপুর শহরে শাপলা টকিজ, দরদী হল, ওরিয়েন্টাল, লক্ষ্মী টকিজ, নূর মহল ও চায়না টকিজসহ প্রায় ১০টি সিনেমা হল ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শক কমে যাওয়া ও ব্যবসায়িক সমস্যার কারণে একে একে সব হল বন্ধ হয়ে যায়।
