জামালপুরে দাফনের ৭ ঘণ্টা পর জীবিত আছেন দাবি, তোলা হলো নারীর মরদেহ

ফন্ট সাইজ:

দাফনের সাত ঘণ্টা পেরিয়েছে। কিন্তু দাবি করা হলো দাফন করা নারী জীবিত আছেন। আর এমন দাবি করে স্বজনের কবর থেকে মরদেহ তুলেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায়। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। করা হয় ইসিজি। অতঃপর চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন, সে নারী মৃত।

ঘটনাটিকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ‘দাফনের পর কবরে জীবিত’ থাকার দাবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশ থেকে লোকজন বাড়িতে ভিড় করতে শুরু করেন। শনিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

মৃত ওই নারীর নাম হালিমা খাতুন (৫৫)। তিনি একই এলাকার সোহরাব আকন্দের স্ত্রী। তাদের এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। গতকাল সকালে হালিমার মৃত্যু হয়। পরে দুপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
স্থানীয়দের কয়েকজনের ভাষ্য, হালিমার মেয়ে গতকাল রাতে পরিবারের সদস্যদের কাছে বলতে শুরু করেন, ‘জিন’ তাকে বলেছে মা এখনো কবরে জীবিত আছেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা কবর খুঁড়ে মরদেহ তোলেন।
এরপর মরদেহটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মেলান্দহ উপজেলায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর জামালপুর পৌর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়।  ইসিজি করা হয়। এরপর চিকিৎসকেরা সে নারীকে মৃত বলে নিশ্চিত করেন।
এরপর স্বজনেরা মরদেহটি ফের বাড়িতে নিয়ে যান। রাতেই আবার একই স্থানে লাশটি দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, মৃত নারীর ওই মেয়েকে ‘জিনে ধরেছে’ এবং ‘জিনের কথায়’ তিনি এমন দাবি করেন বলে এলাকায় প্রচার রয়েছে। বিষয়টি গুজব। কবরে জীবিত থাকার কোনো সত্যতা নেই। তবে এ ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে।

বুলবুল

৫৬ মিনিট আগে

কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা ঠিক হয় নাই।

মন্তব্য করুন