টঙ্গীর জাতীয় আরচারি ট্রেনিং একাডেমি পরিদর্শনে গিয়ে দেশের শুটিং ও আরচারি খাতে বছরব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। গতকাল একাডেমি পরিদর্শনকালে তিনি জানান, সাফ গেমস, এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিকের মতো আসরে পদক আনতে এশিয়ান গেমসের পরপরই এই কর্মসূচি শুরু হবে। একই ভেন্যুতে আজ শুরু হচ্ছে ওয়ার্ল্ড আরচারি এশিয়া প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপের মূল লড়াই। এর আগে জয়েন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামে ১১ জন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষক স্পোর্টস ইনজুরি প্রিভেনশন, স্পোর্টস নিউট্রিশন, স্পোর্টস সাইকোলজি ও এন্টিডোপিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। যেখানে অংশ নেয় ২৬টি দেশের প্রতিনিধি।
রিকার্ভ ইন্ডিভিজুয়াল ও মিক্সড মিলে মোট ৬ ইভেন্টে প্রেসিডেন্টস কাপে লড়বে ১৭ দেশ। স্বাগতিক বাংলাদেশ থেকে অংশ নিচ্ছেন ১০ জন আরচার। পুরুষ রিকার্ভে রামকৃষ্ণ সাহা ও আব্দুর রহমান আলিফ, মহিলা রিকার্ভে সীমা আক্তার শিমু ও নাসরিন আক্তার লড়বেন, পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগে দুজন করে বালক-বালিকা অংশ নেবেন। পরিদর্শনকালে একাডেমির পাশে বর্জ্য ফেলার একটি প্রকল্প নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি। দেশের ক্রীড়া খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শুটিং ও আরচারিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে এবং আগামী পাঁচ বছরে অলিম্পিক লক্ষ্য পূরণে একেবারে শূন্য থেকে কাজ শুরু হয়েছে।’ তৃণমূল থেকে নতুন প্রতিভা তুলে আনতে সারাদেশে ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। চলতি বছরই দেশের ১০টি স্থানে স্পোর্টস ভিলেজের কার্যক্রম শুরু হবে। যা ধাপে ধাপে ৬৪ জেলায় সম্প্রসারিত হবে এবং প্রতিটিতে শুটিং-আরচারির পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে।
