চলতি মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছে মালয়েশিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল। সফরে বিসিবির অনূর্ধ্ব-২৩ ও হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজ খেলবে তারা। সফরের ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানান বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন বিভাগের ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফীস।
আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় আসবে মালয়েশিয়া ক্রিকেট দল।
৮ ও ১০ই আগস্ট মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। এরপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ মাঠে গড়াবে বসুন্ধরা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দুটিতে মালয়েশিয়ার প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড সিরিজে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি নেয়া বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আর ওয়ানডে সিরিজে খেলবে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। সিরিজের ব্যাপারে শাহরিয়ার নাফীস বলেন ‘মালয়েশিয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধেই মূলত এই সফর আয়োজন করা হচ্ছে। তাদের সামনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বের কিছু ম্যাচ থাকায় এবং নিজেদের দেশে বর্ষা মৌসুম চলায় অনুশীলন ও ম্যাচ খেলার সুযোগ চেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সহযোগিতা চেয়েছিল তারা। বিং এ ফুল মেম্বার নেশন আমরা ওদের সেই সাপোর্টটা দিতে পারি।’ ডারউইনের টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে ১৪ই আগস্ট অস্ট্রেলিয়া যাবে এইচপি দল।
এই সফরে সোহেল ইসলামকে প্রধান কোচ করা হয়েছে। ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ওই সিরিজের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে হাই পারফরম্যান্স ইউনিট। এ নিয়ে নাফীস বলেন, ‘এইচপি দল শিগগিরই অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে সফরে যাচ্ছে। তাই তাদের জন্যও প্রস্তুতি ম্যাচ দরকার। পাশাপাশি বিসিবির নতুন চালু হওয়া অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ক্রিকেটারদেরও ম্যাচ খেলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এই দুই প্রয়োজন মাথায় রেখেই মালয়েশিয়ার সফরটিকে কাজে লাগানো হচ্ছে।’ আগে অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায় পেরিয়ে ক্রিকেটাররা সরাসরি হাইপারফরম্যান্স ইউনিটে খেলার সুযোগ পেতেন। তবে সম্প্রতি অনূর্ধ্ব-২৩ নামে নতুন একটি বিভাগ চালু করেছে বিসিবি। যেখানে নির্দিষ্ট বয়সসীমার ক্রিকেটারদের নিয়ে ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই বয়সভিত্তিক পর্যায়ের এ ক্রিকেটাররা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরীক্ষার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
