ম্যাচসেরা হয়ে ওয়াটসনের পাশে জ্যাকস

ম্যাচসেরা হয়ে ওয়াটসনের পাশে জ্যাকস

ফন্ট সাইজ:

সুপার এইটের ম্যাচে জয়ের জন্য এক পর্যায়ে ১৯ বলে ৪৩ রানের প্রয়োজন পড়ে ইংল্যান্ডের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্রিজে তখন উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ। সপ্তম উইকেটের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ১৬ বলে ৪৪ রান তুলে ম্যাচ জিতিয়েই ফেরেন দুজন। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের আগে অফ স্পিনে দুর্দান্তভাবে হাত ঘুরিয়ে ম্যাচসেরা হন জ্যাকস। তাতেই রেকর্ডবইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসনের পাশে বসেন তিনি।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নামার আগে ইংল্যান্ডের হয়ে এ সংস্করণে ৩১ ম্যাচে কখনও ম্যাচসেরার পুরস্কার পাননি জ্যাকস। এবার বিশ্বমঞ্চে ৭ ম্যাচের ৪টিতেই সে পুরস্কার ঝুলিতে ভরলেন এ তারকা অলরাউন্ডার। সীমিত সংস্করণের বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে এতবার ম্যাচসেরা হতে দেখা যায় একজনকেই। ২০১২তে সমান চারবার পুরস্কারটি নিজের নামের পাশে লেখেন ওয়াটসন। কলম্বোর আর প্রেমাদাসায় টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। রান তাড়ায় ৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয় হ্যারি ব্রুকের দল।

রেকর্ড গড়ার দিন বল হাতে ৪ ওভারে স্রেফ ২৩ রানে ২ উইকেট নেন জ্যাকস। পরে সাতে ব্যাটিংয়ে নেমে তুলোধুনো করেন কিউই বোলারদের। ১৮ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় গুরুত্বপূর্ণ ৩২ রান আসে জ্যাকসের ব্যাট থেকে। এদিনের দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস এটি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন