কিশোরগঞ্জে ইউএনও সোহানিয়া প্রশংসায় ভাসছেন

কিশোরগঞ্জে ইউএনও সোহানিয়া প্রশংসায় ভাসছেন

ফন্ট সাইজ:

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া তাঁর কর্মদক্ষতা ও নিরপেক্ষ ভূমিকায় সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছেন। নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর–কিশোরগঞ্জ) আসনের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করতে তিনি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
নির্বাচনে পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার তাঁকে ডেকে নিয়ে দক্ষ সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার সম্মানে ভূষিত করেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান।
নির্বাচনের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বালু পাচার রোধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে তাঁর কঠোর অবস্থানও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান করায় তিনি জনমনে আস্থা অর্জন করেছেন।
তবে কিছু অসাধু মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাঁর সুনাম ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমের প্রতিনিধি আব্দুর রশিদ শাহ বলেন, ইউএনও সোহানিয়া সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর ভূমিকা নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সহায়ক হয়েছে।”
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “ইউএনও’র দক্ষতায় কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। বিগত নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবার পরিবেশ ছিল অনেক ভালো।”
এ বিষয়ে ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন, “নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কখনো গাফিলতি করিনি। রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশনা মেনে সবার সহযোগিতায় ১২ই ফেব্রুয়ারি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব।”
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত ডিসেম্বর মাসে তিনি কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে ২০১০ সালে তিনি লাক্স সুপারস্টার খেতাব অর্জন করেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন