ভারতে কঠিন পরিস্থিতিতে মেটা

সংস্থার ভারত প্রধানের বিরুদ্ধে এফআইআর

ফন্ট সাইজ:

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পরিচালনাকারী সংস্থা মেটা ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, সংস্থাটি বৃহস্পতিবার সরকারের সামনে হাজির হয়ে তাদের নীতিগত ও প্রযুক্তিগত বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেছে।
এরই মধ্যে মেটা'র ভারত প্রধানের বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের হয়েছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, বিজেপি সমর্থকদের অভিযোগের ভিত্তিতে এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিএনএস এবং আইটি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মেটা'র ভারত প্রধানকে সহ-অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব এস. কৃষ্ণন সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন , কর্তৃপক্ষ যেসব বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, সেগুলোর প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে এবং নীতিগত ও প্রযুক্তিগত—উভয় পর্যায়েই বিষয়টি স্পষ্ট করতে মেটাকে তাদের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এর আগে মঙ্গলবার ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি ভিডিও আটকে দেয়া বা সরিয়ে ফেলার বিষয়ে মেটা একটি বিবৃতি দিয়েছে। বলা হয়েছে, বিষয়বস্তুটি 'ভুলবশত সরিয়ে ফেলা হয়েছিল'। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ভিডিওটি এখন পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনার পরপরই তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মেটার (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) গ্লোবাল হেড অব পাবলিক পলিসিকে তলব করে।
নিট প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে তেলাপোকা জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লক্ষ্য করে বিকৃত ও আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়ানোর অভিযোগে হায়দ্রাবাদের সাইবার অপরাধ দমন শাখা বেশ কয়েকটি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পরিচালকদের পাশাপাশি মেটা'র ভারত প্রধানের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ চলাকালে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে কথিত বিকৃত ও আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।
একজন সাইবার অপরাধ তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেছেন, মামলা দায়ের এবং অভিযোগকারীদের চিহ্নিত করা আপত্তিকর লিঙ্কগুলোর বিষয়ে আমরা মেটাকে নোটিশ পাঠিয়েছি। এছাড়া অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে আমরা তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন