সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সরকারি অর্থের সাশ্রয়ের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায়। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় খাল পুনঃখনন প্রকল্প শেষে অব্যয়িত ৩৩ লাখ ৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রশংসায় ভাসছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রফিকুল ইসলাম। গতকাল লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নকশা ও গুণগত মান হুবহু ঠিক রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়। প্রকল্পের কাজ শতভাগ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও বরাদ্দকৃত বাজেটের ৩৩ লাখ ৩ হাজার টাকা উদ্বৃত্ত থাকে। এই অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা প্রশাসন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা জানান, প্রতিটি সরকারি প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন আমাদের দায়িত্ব। কাজ শেষে উদ্বৃত্ত হওয়া ৩৩ লাখ টাকা চালানের মাধ্যমে সরকারি তহবিলে জমা দেয়া হয়েছে।
