পদ্মায় নৌকাডুবির দুইদিন পর বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

ফন্ট সাইজ:

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুইদিন পর বাবা ও ছেলের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। গত মঙ্গলবার দুপুরে দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া থেকে বাবার এবং দুপুরে রাজশাহীর পবা থেকে ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন রাজশাহীর কাটাখালী থানার শ্যামপুর শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা ও নৌকার মাঝি কাওসার আলী এবং তার ছেলে জিয়ারুল হক। নৌ-পুলিশ রাজশাহী অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার পদ্মায় নৌকাডুবির পর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালায়। তবে নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় মরদেহ দু’টি দুর্ঘটনাস্থল থেকে বহু দূরে ভেসে যায়। বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার বাংলাবাজার পাকশী ব্রিজ সংলগ্ন পদ্মা নদীতে কাওসার আলীর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে নৌ-পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। অন্যদিকে বেলা ১টার দিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার সাতবাড়িয়া চর এলাকার নদী থেকে ছেলে জিয়ারুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মরদেহ দু’টি ইতিমধ্যেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার দুপুরে চর মাজারদিয়ার এলাকা থেকে ৮ জন যাত্রী এবং ঝাউগাছবোঝাই করে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা লালন শাহ মুক্তমঞ্চের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। নৌকাটি পদ্মার মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং পানিতে তলিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই ৬ জন যাত্রীকে স্থানীয়দের সহায়তায় জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নৌকার মাঝি কাওসার আলী ও তার ছেলে নিখোঁজ হন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন