নাটোরের বড়াইগ্রামে সোনার গহনা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একই পরিবারের দুই নারীসহ চারজনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার বিকালে বড়াইগ্রাম পৌর এলাকার মৌখাড়া কদমতলা মহল্লায় সাবেক কাউন্সিলর মহরমের ছেলে বিদ্যুতের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন বিকালে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নির্যাতনের শিকার চারজন হলেন- বাবা (৬০), মা (৫০), ছেলে (২৬) ও ছেলের বউ (২২)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়াইগ্রাম পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড গোয়ালফা কদমতলা এলাকার বাসিন্দা বাদশার স্ত্রী প্রতিবেশী মতিন সরকার ও জুয়েলের স্ত্রী এবং টুটুলের মায়ের কাছ থেকে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে কিছু সোনার গহনা ধার নেন। ধার নেয়া গহনা তারা বারবার ফেরত চায়। কিন্তু ১২ দিন পার হওয়ার পরেও তা ফেরত দেয়নি। বুধবার দুপুরে গহনা ফেরত চাওয়া হলে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে সংশ্লিষ্টদের স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর মহরমের ছেলে বিদ্যুতের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে গহনা ফেরত দেয়া নিয়ে পুনরায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত কয়েকজন বাদশা, তার স্ত্রী, বাদশার বাবা এবং শাশুড়িকে দড়ি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে ধার নেয়া গহনা ফেরত দিলে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছালাম জানান, ঘটনাটি শোনার পর পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে। স্থানীয়রা তা শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করেছে। তবে গাছে বেঁধে রাখা ও নির্যাতনের বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
প্রতারণার অভিযোগে একই পরিবারের ৪ জনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি
২৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
