পবিত্র ওমরাহ’র জন্য সৌদি গমন করে কৌশলে পালিয়ে যাওয়া আহমদ নামের জনৈক ব্যক্তিকে নিয়ে তোলপাড় চলছে। এ ঘটনায় নবীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আলোচিত ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছে দুই ট্রাভেলস কোম্পানি। আলোচিত ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আহমদ নামের ওই প্রতারককে ধরিয়ে দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগ ও ট্রাভেলস সূত্র জানায়, উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পাতাইরা লালপুর গ্রামের মো. ফিরুজ মিয়া খানের ছেলে মো. আহমদ খান গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ১৭ তারিখ বিবিয়ানা ট্রাভেলসের সহায়তায় পবিত্র ওমরাহ্ পালনের জন্য সৌদি গমন করে। ওই ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল বাছিত হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজে অবস্থিত হাবিব ট্রাভেলসের মাধ্যমে ওমরাহ ভিসায় মদিনা যান। সেখানে গিয়ে সঙ্গে থাকা মুয়াল্লিম মো. জাকারিয়াকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বিবিয়ানা ট্রাভেলসের পরিচালক আব্দুল বাছিত গত বছরের ২৯শে ডিসেম্বর নবীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এখন পর্যন্ত আহমদ খানকে দেশে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ওদিকে, আগামী ১৭ই মার্চের মধ্যে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে না পারলে অর্ধ কোটি টাকার লাইসেন্স বাতিল হবে। ফলে বিবিয়ানা ট্রাভেল্স ও হাবিব ট্রাভেল্স বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এ নিয়ে দুই ট্রাভেলসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া কাজী মাওলানা হাসান আলী বলেন, আহমদ খান ওমরাহ্ করার আগ্রহ প্রকাশ করে একাধিকবার ওমরাহে গমন করার অভিজ্ঞতা থেকে তাকে ওই দুই ট্রাভেলসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেই। বিপুল পরিমাণ টাকার জরিমানা থেকে বাঁচতে হলে দ্রুত আগামী ১৮ই মার্চের মধ্যে দেশে ফেরাতে হবে। না হলে ট্রাভেল্স কোম্পানির দ্বায়ভার আহমদকেই বহন করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
পবিত্র ওমরায় গিয়ে পলাতক আহমদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার, নবীগঞ্জ থেকে
২৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
