যুক্তরাষ্ট্রের নতুন গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে অনুমোদন পেয়েছেন জে ক্লেটন। সিনেটে ভোটাভুটির মাধ্যমে তার এই পদ নিশ্চিত হয়। এর মাধ্যমে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একজন স্থায়ী পরিচালক পেল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার নাম চূড়ান্ত করতে বেশ কিছুদিন বিলম্ব করেছিলেন। নিউ ইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের সাবেক ইউএস অ্যাটর্নি ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সাবেক প্রধান জে ক্লেটন সিনেটে ৫১-৪৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।
ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানরা গত জুন মাসেই তার মনোনয়ন নিশ্চিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাবেক পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড পদত্যাগ করার পর ট্রাম্প সাময়িকভাবে বিল পুল্টকে দায়িত্ব দিয়ে নতুন কোন ব্যক্তিকে নির্বাচিত করার পথ কিছুদিন পিছিয়ে দেন। গোয়েন্দা বিভাগে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও বিল পুল্টকে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে উভয় দলের সিনেটরদের মধ্যেই অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। পুল্ট দায়িত্বে থাকাকালে ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেন।
তাছাড়া তিনি নির্বাচন সংক্রান্ত কিছু গোপন নথিপত্রও সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ করেন, যা নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়। অন্যদিকে ডেমোক্রেটদের তীব্র ক্ষোভের মুখোমুখি হতে হয়েছে জে ক্লেটনকেও। দুই সপ্তাহ আগের এক শুনানিতে তিনি ২০২০ সালের নির্বাচনে জো বাইডেনের জয়ের বিষয়টি পরিষ্কারভাবে স্বীকার করেননি। তিনি কেবল বলেছিলেন নির্বাচনটি সার্টিফাইড হয়েছিল। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে সিনেটের শীর্ষ ডেমোক্রেট সদস্য মার্ক ওয়ার্নারসহ অন্যান্যরা তার বিপক্ষে অবস্থান নেন। তবে ডেমোক্রেটরা স্বীকার করেন যে পুল্টের জায়গায় ক্লেটনই তুলনামূলক গ্রহণযোগ্য বিকল্প। ভোটাভুটির পর ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ক্লেটনের প্রশংসা করে বলেন যে তিনি চমৎকার কাজ করবেন।
একই সাথে বিল পুল্ট দাবি করেন যে তিনি জাতীয় গোয়েন্দা দপ্তরের কর্মী সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ কমিয়েছেন। নতুন দায়িত্বে এসে ক্লেটন জানিয়েছেন, তিনি সম্পূর্ণ নৈতিকতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দেশের নিরাপত্তা বিধানে কাজ করে যাবেন।
