ইরান যুদ্ধ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে, দাবি ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে, দাবি ট্রাম্পের

ফন্ট সাইজ:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়ে খুবই ইতিবাচক আলোচনা চলছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো হামলা না হওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন। সোমবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প যুদ্ধের অবসান নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, আমার মনে হয়, ভালো কিছু ঘটার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সর্বশেষ এই আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আগের মতোই আবার অভিযান শুরু করবে।

অন্যদিকে, তেহরান সরাসরি কোনো আলোচনার বিষয় অস্বীকার করেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। ট্রাম্প জানান, শুক্রবার তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো তাকে আলোচনার জন্য আরেকটি সুযোগ দেয়ার অনুরোধ করেছে। ইরানও একই সময়ে তাদের হামলা বন্ধ রেখেছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা এবং পাল্টাপাল্টি আক্রমণের পর এই বিরতি এসেছে। এর আগে জুনে হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছিল। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি তৈরি করার ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করে দেয়া। বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হলো এই প্রণালি। সংঘাত কমে আসতে পারে- এমন আশায় সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম একপর্যায়ে ৯ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে।

প্রেসিডেন্টের বিশেষ উড়োজাহাজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পাঁচ মাসের যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত কমে এসেছে বলে যে খবর প্রকাশ হয়েছে ট্রাম্প তা উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, আমাদের কাছে প্রচুর গোলাবারুদ আছে। মাঝারি পর্যায়ের অস্ত্রও প্রচুর রয়েছে- যতই ব্যবহার করি না কেন, শেষ হওয়ার মতো নয়। তবু আমি চাই আরও বেশি থাকুক। ট্রাম্প আরও বলেন, বর্তমানে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপাদনে জোর দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ওই ব্যবস্থা দ্রুত তৈরি হচ্ছে। আমাদের কাছে এরও অনেক মজুত রয়েছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কাছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সব কৌশলগত লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রয়োজনের চেয়েও বেশি গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, অপারেশন এপিক ফিউরি দেখিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করলে কী পরিণতি হতে পারে।

লিমা

১ ঘন্টা আগে

শয়তান এর সাথে কোন আলোচনা নয়।

মন্তব্য করুন