যুক্তরাষ্ট্র সরকার নতুন একটি বৈশ্বিক ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতি ঘোষণা করেছে। এই নীতির আওতায় সাইবার অপরাধ এবং সাইবার-সক্ষম অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের টার্গেট করা হবে। এর মধ্যে অনলাইন বিনিয়োগ প্রতারণা (ইনভেস্টমেন্ট স্ক্যাম) এবং সেক্সটরশন (অন্তরঙ্গ ছবি বা ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল)-এর মতো অপরাধে জড়িতদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন নীতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, অপরাধে জড়িত বা সহযোগী ব্যক্তিদের নিকটাত্মীয়রাও এই ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া। মার্কো রুবিও বলেন, আমাদের নাগরিকদের শিকার বানাবে যেসব ব্যক্তি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের ধারা ২১২(এ)(৩)(সি)-এর আওতায় নতুন এই নীতি কার্যকর করা হয়েছে। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধ চক্র দমনের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। এক বিবৃতিতে রুবিও বলেন, এই নীতির লক্ষ্য হলো সাইবার অপরাধ এবং সাইবার-সক্ষম অপরাধে জড়িত বা এসব কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। এর মধ্যে সাইবার প্রতারণা ও সেক্সটরশনের মতো অপরাধও রয়েছে। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধেও ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন এই নীতির মাধ্যমে শুধু অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেই নয়, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধেও ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহার করা হবে। যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সহিংসতায় সমর্থন দেয়ার অভিযোগ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষকে সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে, মাদক কার্টেল বা সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে অথবা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে চলতি বছরে একই ধরনের ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রেও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।
