টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের দেয়া পাহাড়সম লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ৭১ রানের হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে তাদের। তবে বৃহস্পতিবার দারুণ এক কীর্তি গড়েন দলটির অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। স্রেফ দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এ অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার স্পর্শ করেন এক বিরল মাইলফলক।
এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ২৫৬ রান তোলে ভারত। নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে জিম্বাবুয়ে থামে ১৮৪ রানে। লক্ষ্য তাড়ায় চারে নেমে ২১ বলে ৩১ রানের অবদান রাখেন রাজা। জিম্বাবুয়ের হয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১০০ উইকেটের মাইলফলক আগেই স্পর্শ করেন তিনি। ভারতের বিপক্ষে এদিনের ইনিংস খেলার পথে রাজা স্পর্শ করেন ৩ হাজার রান। নামের পাশে এদিন ১৫ রান যোগ করতেই এ বিরল মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। আইসিসি’র পূর্ণ সদস্য দলগুলোর মধ্যে প্রথম ও সব দেশ মিলিয়ে দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১০০ উইকেট ও ৩ হাজার রানের যুগল স্পর্শ করেন এ ৩৯ বছর বয়সী তারকা অলরাউন্ডার।
এই কীর্তি এতদিন ছিল শুধু মালয়েশিয়ার বিরানদিপ সিংয়ের। আইসিসি’র সহযোগী দেশটির হয়ে ১১১ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তার রান ৩১৮০। বাঁহাতি স্পিনে উইকেট নিয়েছেন ১০৯টি। ১৩২ ম্যাচে রাজার রান বর্তমানে ৩০১৬, উইকেট ১০৪টি। এ সংস্করণে ৩ হাজার রানের ক্লাবে ঢোকা চতুর্দশ ব্যাটার রাজা। এ তালিকায় আছেন পাকিস্তানের বাবর আজম, ভারতের বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা, অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চের মতো তারকারা।
গেইলের পর যেখানে শুধু বেনেট
রান তাড়ায় এদিন বুক চিতিয়ে একাই লড়ে যান ব্রায়ান বেনেট। জিম্বাবুইয়ান ওপেনার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৫৯ বলে ৯৭ রানের ইনিংসে। ৮ চার ও ৬ ছক্কার মারে শতক থেকে স্রেফ ৩ রানের আক্ষেপ বেনেটের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্রেফ দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ভারতের বিপক্ষে ৯০ ছোঁয়া ইনিংস খেলেন তিনি। তালিকার আগেরজন ক্রিস গেইল। ২০১০ আসরে ব্রিজটাউনে ৬৬ বলে ৯৮ রানের ইনিংস খেলেন তৎকালীন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ইনিংসের তালিকার পরেরজন অ্যালেক্স হেলস। ২০২২ আসরের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ৪৭ বলে ৮৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এ ইংলিশ ওপেনার।
৯৭ রানের ইনিংসে সীমিত সংস্করণের বিশ্বকাপে দলের সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডটিও এখন বেনেটের। ২০২২-এ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে রাজার ৮২ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ।
