উপ-খাদ্য পরিদর্শকসহ তিনজনের ৫ বছর কারাদণ্ড

দুদকের মামলা

উপ-খাদ্য পরিদর্শকসহ তিনজনের ৫ বছর কারাদণ্ড

ফন্ট সাইজ:

অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে সিরাজগঞ্জে খাদ্য গুদামের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক (এএসআই) মনিরুল ইসলামকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক কোটি ১৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার বাবা শহিদুল ইসলাম প্রমানিক ও স্ত্রী ডলি বেগমকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পাবনা স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ মো. সালাউদ্দিন খাঁ-এ আদেশ দেন।
মনিরুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার চরদমদমা গ্রামের শহিদুল ইসলাম প্রমাণিকের ছেলে ও কামারখন্দ উপজেলা খাদ্য গুদামের সাবেক সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক। বর্তমান তিনি কাজীপুর উপজেলা খাদ্য গুদামে একই পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মলয় কুমার দাস এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর পাবনা দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শহীদুল আলম সরকার বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার চার্জশিট দাখিল ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত মনিরুল ইসলামসহ তিনজনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। সেই সঙ্গে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছেন। এ সময় আসামিরা কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি ও কামারখন্দ উপজেলা খাদ্যগুদামে দায়িত্ব পালনকালে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৬০ লাখ টাকা ওয়ান ব্যাংক সিরাজগঞ্জ শাখার একটি হিসেবে স্ত্রীর নামে এফডিআর ও পিতা শহিদুল ইসলাম প্রমাণিকের নিজ নামীয় জায়গায় ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি বিল্ডিং নির্মাণে বিনিয়োগ করেন। এতে মনিরুল ইসলামের পিতা সহিদুল ইসলাম প্রামাণিক ও স্ত্রী ডলি বেগম তার অবৈধ আয়কে বৈধ করণে সহযোগিতা করেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন