আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া এবং কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোকে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত সমন পাঠিয়েছে- সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত এমন খবর সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে সংস্থাটি। বুয়েনস আইরেস ও নিউ ইয়র্ক থেকে প্রাপ্ত সংবাদের বরাতে এএফএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন বিচার বিভাগ সংক্রান্ত এই খবর ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’।
তবে সংস্থাটি স্বীকার করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের এক গ্র্যান্ড জুরির সামনে হাজির হওয়ার জন্য এক ‘তৃতীয় পক্ষকে’ সমন পাঠানো হয়েছে। এএফএ-র শীর্ষ কর্মকর্তাসহ বেশ কিছু ব্যক্তির বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করতেই ওই ব্যক্তিকে তলব করা হয়েছে।
এর আগে স্থানীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দেশে ফেরার প্রাক্কালে সোমবার সকালে নিউ ইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে তাপিয়া ও তোভিগিনোকে এফবিআই আটক করে। এবং তাদের কাছে ইলেকট্রনিক ডিভাইসও নাকি চাওয়া হয়।
সংবাদমাধ্যম ইনফোবা-র মতে, আর্জেন্টিনা ফুটবলের অর্থ পাচার অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এএফএ-সংক্রান্ত ৩০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে তদন্ত করছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরে এক প্রত্যক্ষদর্শী গণমাধ্যমে জানান, বাসের ভেতর তাপিয়া ও তোভিগিনোকে প্রায় ৩০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির এজেন্টরা।
তবে এসব অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়ে এএফএ বিবৃতিতে স্পষ্ট বলে, ‘ক্লদিও তাপিয়া বা পাবলো তোভিগিনোকে মার্কিন বিচার বিভাগ তলব করেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। একইভাবে তাদের সেলফোন বা অন্য কোনো ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করার দাবিও মিথ্যা। সংশ্লিষ্ট নথিতে এএফএ সভাপতি বা কোশাধ্যক্ষের ওপর কোনো ব্যক্তিগত আদেশ, আদালতে হাজির হওয়ার বাধ্যবাধকতা বা সম্পত্তি জব্দের কথা বলা হয়নি।’
