ভারতে তেলাপোকা জনতা পার্টির বিক্ষোভ দমাতে দেশটির পুলিশ একের পর এক বিতর্কিত কৌশল অবলম্বর করেছে। দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, বিক্ষোভ না করতে এক দল শিক্ষার্থীকে ভয়ভীতি দেখিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। ওই পুলিশ, বিক্ষোভকারীদের মিথ্যা মাদকের মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ।
এনিয়ে ইতিমধ্যে পুলিশের ওই কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে পুলিশের ওই কর্মকর্তার নাম এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে রাজধানী দিল্লির যন্তরমন্তরে ‘তেলাপোকাদের’ বিক্ষোভে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ছাত্র-যুবদের যোগদান বেড়ে চলেছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ শিক্ষার্থীদের জমায়েতে অংশ নিয়েছেন। সরকার সতর্কতা হিসেবে প্রচুর পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী নিয়োগ করেছে।
এর আগে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে বুধবার রাতে উত্তপ্ত হয়েছিল দিল্লির যন্তরমন্তর চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানকার পরিস্থিতি খানিক থমথমে। তবে ভিড় ক্রমশ বাড়ছে মানুষের। ‘নিরাপত্তাগত কারণে’ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন।
এদিকে বৃহস্পতিবার সিজেপি’র প্রধান অভিজিৎ দীপক জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না-করলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
তিনি বলেন, আজ (বৃহস্পতিবার) আমাদের আন্দোলনের ৩৪তম দিন। আর সোনম ওয়াংচুকের অনশনের ২৬তম দিন। আমাদের প্রতিবাদ যেমন চলছিল, তেমনই চলবে। তবে সোনম ওয়াংচুককে অনশন প্রত্যাহারের আর্জি জানিয়েছেন তিনি।
এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার দেশের তরুণদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের তরুণদের ভাল রাখা এবং তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোনও কিছুই এর চেয়ে বড় নয়। এর পরেই প্রশ্নফাঁস বিতর্কে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন মোদি। বিক্ষোভকারীদের মাদকের মামলা দেয়ার হুমকি, মুম্বাই পুলিশকে বরখাস্ত
