১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা আয়ে রেকর্ড ফিফা’র

বি শ্ব কা প ফু ট ব ল ২ ০ ২ ৬

১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা আয়ে রেকর্ড ফিফা’র

ফন্ট সাইজ:

দীর্ঘ লড়াই শেষে স্পেনের জয়ের মাধ্যমে পর্দা উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আসরের। জমজমাট এই আয়োজন থেকে রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছে এর আয়োজক ফিফা। রেকর্ড ১,৫০০ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে যাচ্ছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন গার্ডিয়ান। বিশ্ব ফুটবলের এই মেগা ইভেন্ট থেকে ধারণার চেয়েও অনেক বেশি অর্থ আয় হয়েছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ফিফা ১১ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। তবে সব হিসাব ছাড়িয়ে আয় বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি শনিবার সদস্য দেশগুলোর এসোসিয়েশনগুলোকে নিশ্চিত করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, আজকের ডলারের বিনিময় হার (১ ডলার = ১২৩.১২ টাকা হিসাবে) অনুযায়ী ফিফার এই মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা।

আয়ের মূল উৎস টিকিট বিক্রি
ফিফা সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিপুল পরিমাণ আয় বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বিশেষ হসপিটালিটি প্যাকেজ এবং টিকিটের বিশাল চাহিদা। বিশেষ করে চড়া দামের ‘সেকেন্ডারি টিকিট মার্কেট’ থেকে আয়ের বড় অংশ এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী, সেকেন্ডারি মার্কেটে টিকিট কেনাবেচার সময় ক্রেতার কাছ থেকে ১৫ শতাংশ এবং বিক্রেতার কাছ থেকে আরও ১৫ শতাংশ মোট ৩০ শতাংশ কমিশন আদায় করে ফিফা। ফাইনাল ম্যাচের আগের দিন শনিবারও নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনালের ভিআইপি ও হসপিটালিটি প্যাকেজ ফিফার টিকিট পোর্টালে ট্রফি লাউঞ্জ প্যাকেজ হিসেবে ব্যক্তিপ্রতি সর্বোচ্চ ৩৪,৫০০ ডলারে (প্রায় ৪২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা) বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সদস্য দেশগুলোর লাভ ও ইনফান্তিনোর অবস্থান
বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত এই বাম্পার রেভিনিউ বা রেকর্ড রাজস্বের সুবিধা ফিফার সদস্যভুক্ত ফুটবল এসোসিয়েশনগুলোও পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও তাদের মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ কীভাবে বণ্টন করা হবে সেই সম্পর্কিত চূড়ান্ত বিবরণী এখনো তৈরি হয়নি। তবে এই বিশাল আর্থিক সাফল্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে মাসব্যাপী আয়োজিত বিতর্কের পর জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর অবস্থানকে ফুটবল অঙ্গনে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সমপ্রতি শেষ ৩২-এর ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে আমেরিকার স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড স্থগিতের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের কাছে ফিফা নতিস্বীকার করেছে এমন অভিযোগে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর (এফএ) মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও ২০২৭ সালের মার্চে হতে যাওয়া পরবর্তী ফিফা নির্বাচনে ইনফান্তিনোর পক্ষে এরই মধ্যে ২০০টিরও বেশি সদস্য এসোসিয়েশনের সমর্থন নিশ্চিত হয়েছে। বিশ্বকাপের অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের সুবাদে অসন্তুষ্ট দেশগুলোও হয়তো প্রকাশ্যে কোনো প্রতিবাদ জানাবে না।

ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপের স্বাগতিক হওয়ার দৌড়
এই নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সাফল্যের ফলে অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ফের বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেতে পারে। পরবর্তী খালি থাকা ২০৩৮ সালের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আবারও বিড করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একটি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে, তার দেশ আবারও এটি আয়োজন করতে ইচ্ছুক এবং এবার তারা কানাডা ও মেক্সিকোকে ছাড়া এককভাবে আয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এছাড়া ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়েও ফিফার সাথে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

Mustafa Ahsan

৯ ঘন্টা আগে

দর্শকদের পকেট কেটে লাভ তো হবেই- আমাদের ব্যাক্তিগত দুটি ম‍্যচ ডালাসের এটিএনটি আরলিংটন স্টেডিয়ামে দেখার সৌভাগ্য ফিফার লটারিতে নাম আসার কারণে হয়েছিলো। প্রথমটি ওপেনিং ম‍্যাচ নেদারল্যান্ডের সাথে জাপানের এবং দ্বিতীয় ম্যাচ অস্ট্রেলিয়া বনাম ইজিপ্ট তিনজন মিলে (বাবা ছেলে) ছয়টি টিকেটের দাম ফিফার লটারি মুল্যে কিনতে হয়েছে মাঝামাঝি গ‍্যালারীতে বসে দেখার জন‍্য নয়শত ডলার করে ছয়টি =$5,400/- ডলারে সাথে পঁচিশ ডলারের পার্কিং কিনেছি একশত পঁচাত্তর ডলারে দুইদিনে গাড়ি পার্কিং বাবদ খরচ $350/- ডলার। খাবারের খরচ পানির দাম বাদই দিলাম একটি পাঁচ ছয় ডলারের বার্গার বিক্রি হয়েছে তিরিশ পয়তিরিশ ডলারে।বিশ্ব কাপ ফুটবলের আবেগ কে পুঁজি করে দর্শকদের পকেট কেটে এই ক‍্যাপিটালিসটরা অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে… দায়ি আমরা সাধারণ জনগণ। আমার ধারণা ছিলো স্টেডিয়ামে অনেক সিট খালি থাকবে তাই তিনশত ডলারের সিটের জন্য অপেক্ষা করতে যেয়ে পরে কোন সিট খালি না পেয়ে কিনতে বাধ্য হয়েছি। অবিশ্বাস্যভাবে প্রতিটি খেলা মেক্সিকো ক‍্যানাডা আমেরিকায় দর্শক পূর্ণ ছিলো- টাকা দিয়ে এই উন্মাদনায় শরিক হওয়াও ব‍্যাপার বটে।

মন্তব্য করুন