বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগে (বিসিএল) নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল নর্থ জোন। দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের সেই ধারা বজায় রাখলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল। গতকাল নাহিদ রানা ও এসএম মেহেরব হোসেনের দাপুটে বোলিংয়ে সাউথ জোনকে ৩০.৫ ওভারে ১৪৪ রানে গুটিয়ে দেয় নর্থ জোন। পরে লিটন দাসের ফিফটিতে ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় দলটি। একই দিনে ইস্ট জোনকে ৫ উইকেটে হারায় সেন্ট্রাল জোন। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৩৭ রান তোলে ইস্ট জোন। পরে ২৭ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সেন্ট্রাল জোন। দুই ম্যাচের দুটিতে জিতে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে নর্থ জোন। সমান ম্যাচে কোনো জয় না পাওয়া ইস্ট জোন আছে টেবিলের তলানীতে।
গতকাল রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে টসে সাউথ জোনকে আগে ব্যাটে পাঠায় নর্থ জোন। ব্যাট করতে নেমে ১৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে সাউথ জোন। পঞ্চম উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুন ও নুরুল হাসান সোহান মিলে ৫০ রান
যোগ করেন। ৬৯ রানে সোহান ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ২৩ বলে ২৪ রান করেন সোহান। ষষ্ঠ উইকেটে রবিউল হক ও মিঠুন মিলে যোগ করেন আরও ৫১ রান। দলীয় ১২০ রানে রবিউল আউট হলে জুটি ভাঙে। ২২ বলে ২৯ রান করেন রবিউল। এরপর ফের ধস নামে সাউথ জোনের ইনিংসে। মিঠুন একপ্রান্ত আগলে রাখলেও ২৪ রান যোগ করতেই অনপ্রান্তে টানা উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় সাউথ জোন। ৭৯ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন মিঠুন। নর্থ জোনের হয়ে নাহিদ রানা ও মেহেরব হোসেন
৩টি করে উইকেট নেন। শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ নেন দুটি করে উইকেট। রানতাড়ায় নেমে ২৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় নর্থ জোন। হাবিবুর রহমান সোহান আউট হন ৬ বলে ১৪ রান করে। দুই বলের ব্যবধানে নাজমুল হোসেন খালি হাতে ফিরে যান। ৩৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় দলটি। তানজিদ তামিম ফিরে যান ১৩ বলে ১৮ রান করে। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন দাস মিলে যোগ করেন ৮০ রান। দলীয় ১১৭ রানে হৃদয় আউট হলে জুটি ভাঙে। ৪৬ বলে ৩৩ রান করেন হৃদয়। পরে আকবর আলিকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন লিটন। ২২ বলে ১৯ রান করেন আকবর। ৬৫ বলে ৫৫ রান করেন লিটন।
সাউথ জোন বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান ৩ উইকেট নেন। রবিউল হক নেন এক উইকেট। অন্যদিকে বগুড়ায় জাকির হাসানের ৫১ বলে ৪৫ রানের ইনিংসে ভর করে ২৩৭ রান তোলে ইস্ট জোন। সেন্ট্রাল জোনের রাকিবুল হাসান সাল্লু নেন তিন উইকেট। পরে নাঈম শেখের ৮৩ ও আবু হায়দার রনির ৪২ বলে ৬৬ রানের ইনিংসে বড় জয় পায় সেন্ট্রাল জোন। টুর্নামেন্টে এটি তাদের প্রথম জয়।
