২০২৬ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এটি ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে থ্রি লায়ন্সদের সেরা পারফরম্যান্স। আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে হৃদয়ভাঙা হারের পর এই জয় কিছুটা হলেও সান্ত্বনার। এ পারফরম্যান্সকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন দলটির মিডফিল্ডার ডেকলাইন রাইস। তিনি বলেন, ‘অনেক বছরের মধ্যে এটিই ইংল্যান্ডের সেরা দল। এটাই সত্য, কেউ আমাদের থেকে এই অর্জন কেড়ে নিতে পারবে না। আমরা সেমিফাইনালে হেরে যাওয়ায় খুব কষ্ট পেয়েছি। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে তৃতীয় হওয়াটাও বড় অর্জন। আমরা শিরোপার খুব কাছাকাছি ছিলাম, ভাগ্য সহায় ছিল না।’
দলের অধিনায়ক হ্যারি কেইন বলেন, ‘আমি যতগুলো ইংল্যান্ড দলের অংশ ছিলাম, তার মধ্যে এটি অন্যতম সেরা। ড্রেসিংরুম থেকে মাঠ পর্যন্ত আমাদের মধ্যে একটি দারুণ বন্ধন রয়েছে।’ কোচ টমাস টুখেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি টুখেলের প্রথম বড় টুর্নামেন্ট ছিল। তিনি আমাদের স্কোয়াড, টুর্নামেন্টের চাপ এবং খেলার ধরন সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছেন।’ ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ৪-০ গোলে এগিয়ে থাকার সময় ইংল্যান্ডের সহকারী কোচ অ্যান্থনি ব্যারি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমি বর্ণনা করতে পারছি না যে আমি খেলোয়াড়দের নিয়ে কতটা গর্বিত। ওরা ভাঙা হৃদয় নিয়ে মাঠে নেমেছিল, কিন্তু দেশের জন্য খেলার মানসিকতা ছিল অটুট। গত সাত সপ্তাহে আমরা যে দলগত ঐক্য গড়েছি, তা দেখাটা এক বিশাল প্রাপ্তি।’ ইংল্যান্ড দলের ফুল ব্যাক ডিজেড স্পেন্স বলেন, ‘১৯৬৬ সালের পর এই প্রথম আমরা তৃতীয় হলাম, যা আমাদের জন্য সম্মানের। টুখেল দারুণ একজন কোচ এবং আমরা বিশেষ কিছু গড়ে তুলছি। এটি আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়, বরং একটি বড় অর্জনের পথে সিঁড়ি। আশা করি পরের টুর্নামেন্টে আমরা ট্রফিটা ঘরে আনতে পারবো।’
