ফাইনালের আগে আরেক ‘ফাইনাল’

ফাইনালের আগে আরেক ‘ফাইনাল’

ফন্ট সাইজ:

বিশ্বকাপ ফাইনালের জোয়ারে ডুবে যাওয়ার আগে আরেক ‘ফাইনালের’ সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সমর্থকরা। বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে খেলতে নামবে টাইগাররা। শুরু বিকাল সাড়ে ৪টায়। এর আগে স্বাগতিকদের কাছে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩২ রানে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৪ রানের জয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ খোয়ানোর পর সফরের শেষটায় টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে দেশে ফেরার সুযোগ তাওহিদ হৃদয়ের দলের।

জিম্বাবুয়ে সফরে আসার আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। ফুরফুরে মেজাজে থাকা টাইগাররা সফরের একমাত্র টেস্টে মূল ক্রিকেটারদের বিশ্রামে রাখে। এরপরই বদলে যায় দৃশ্যপট। বাজেভাবে টেস্ট হারের পর তীরে এসে তরী ডুবিয়ে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজও খোয়ায়। টেস্ট, ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও দাপট পেসারদের। বাউন্সি উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়েছেন। তবে এই উইকেটেও টাইগার স্পিনাররা দুর্দান্ত। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রিশাদ হোসেন চার ও শেখ মেহেদি ৩ উইকেট নেন। তবে টাইগার শিবিরে রয়েছে অস্বস্তির সংবাদ। গত ম্যাচে বোলিং করার সময় পাঁজরের পাশে ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়েন নাহিদ রানা। নাহিদ ফিট না থাকলে সুযোগ পেতে পারেন শরিফুল ইসলাম। অন্যদিকে কারানের অভিষেক না হলে জিম্বাবুয়ে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে নামবে।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ছয়টি ক্যাচ মিস করেছিল স্বাগতিকরা। ওপেনার সাইফ হাসান একাই তিনবার জীবন পান। ৪৫ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন এ ডানহাতি ব্যাটার। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম করেন ৫৮ রান। দুজনেই সেট হওয়ার পর সাজঘরে ফেরেন। মিডল ওভারে ২১ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষদিকে সাইফ উদ্দিন ও ইয়াসির আলী ঝড় না তুললে ১৮৬ রানের সংগ্রহ পেতো না টাইগাররা। সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামার আগের দিন অবশ্য অনুশীলন করেনি দল। দলের ব্যাটার ইয়াসির আলী রাব্বি জানান, ‘যেহেতু অনেকদিন ধরে খেলছি, আজ তেমন কিছু ছিল না। শুধু জিম ও রিকভারি সেশন হয়েছে যেটা আগামীকালের ম্যাচে আরেকটু ভালো করতে সাহায্য করবে।’ সিরিজ জেতার লক্ষ্য জানিয়ে রাব্বি বলেন, ‘আমরা গত ম্যাচ যেভাবে খেলেছি চেষ্টা করবো সেভাবেই খেলার। পজিটিভ এপ্রোচ সবসময় থাকবে।

অবশ্যই চেষ্টা করবো দেশকে যাতে একটি সিরিজ জেতাতে পারি।’ অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের দুশ্চিন্তার জায়গা ফিল্ডিং। ওপেনিংয়েও বড় জুটি পাচ্ছে না তারা। টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিম্বাবুয়েরে কোনো ব্যাটারই হাফ সেঞ্চুরি পাননি। প্রথম ম্যাচে ব্রায়ান বেনেট সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। জিম্বাবুয়ের বোলিং পরামর্শক কুইন্টন ফ্রেন্ড তাদের ফিল্ডিং প্রসঙ্গে বলেন, ‘দিনশেষে, আপনাকে ফিরে তাকাতে হবে আপনার অনুশীলন কেমন হয়েছে তার দিকে, আর আমাদের অনুশীলন দারুণ হয়েছে। আমরা সময় দিচ্ছি, পরিশ্রম করছি, চর্চা করছি নিখুঁত হওয়ার জন্য। তবে দল হিসেবে ফিল্ডিংয়ে আমাদের আরও ভালো করতে হবে, কারণ টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিততে চাইলে এটাই ফলাফল নির্ধারণ করে দেয়।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন