ডাকাত ধরলে পুরস্কার দিবেন এমপি

ডাকাত ধরলে পুরস্কার দিবেন এমপি

ফন্ট সাইজ:

হাওরে ডাকাতি প্রতিরোধে এবার নিজেই মাঠে নেমেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সিনিয়র এডভোকেট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি ইটনা উপজেলার বাদলা, রায়টুটী ও এলংজুরী এই তিনটি ইউনিয়নে পৃথক গণসমাবেশ করেছেন। গণসমাবেশে ডাকাতদের ভয়ে হাওরবাসীকে ভীত না হয়ে তাদের প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। যে ডাকাত ধরতে পারবে তাকে পুরস্কৃত করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। ফজলুর রহমান এমপি বলেছেন, ডাকাত যদি আসে ধরবার চেষ্টা করবেন। হাওরে ডাকাতি হলে হাত গুটিয়ে লুকিয়ে ঘরে বসে থাকলে চলবে না। এটা ভীরু মানুষের কাজ। হাওরে ডাকাতির খবর পেলে সম্মিলিতভাবে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।

যে ডাকাত ধরতে পারবে আমি এমপি হিসেবে না ব্যক্তিভাবে আমি ফজলুর রহমান হিসেবে একা তাকে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দিবো। এ ছাড়া তারেক রহমানের কাছে তার নামটা পাঠিয়ে বলবো, ‘ও হলো বীর, ডাকাত ধরছে।’ ডাকাত ধরবেন, কোথায় ডাকাত আছে চিনে রাখবেন। ফজলুর রহমান যে এলাকার এমপি এই এলাকা রবী ঠাকুরের কবিতার মতো সুন্দর হবে। গণসমাবেশগুলোতে বিপুলসংখ্যক স্থানীয়রা অংশ নেন এবং ডাকাত প্রতিরোধে সোচ্চার থাকার অঙ্গীকার করেন। গণসমাবেশে অন্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর এমপি’র সহধর্মিণী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম রেখা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাখন চন্দ্র সূত্রধর, ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ খান, উপজেলা বিএনপি সভাপতি এসএম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মনির উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক পলাশ রহমান এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

সম্প্রতি হাওরে পর পর কয়েকটি ডাকাতির ঘটনার প্রেক্ষিতে জনমনে উদ্বেগ দেখা দেয়ায় তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান ডাকাতি প্রতিরোধে গণসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার এই ঘোষণার পর শনিবার ডাকাতিপ্রবণ ইটনা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে তিনি গণসমাবেশে অংশ নেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন