ফরিদপুর সদর উপজেলার ডাঙ্গী গ্রামে পাটক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা ও কীটনাশক খাওয়ানো অবস্থায় এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, গত ১৬ই জুলাই সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে তার পরিবারের কাছে মুক্তির জন্য কয়েক দফায় ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকির (৪৫) সদর উপজেলার রোকমান খাঁর ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা সেকেন ফকিরের ছেলে।
২ মেয়ে ও ১ ছেলের জনক ইউসুফ পিয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ী ছিলেন। নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকালে মমিনখাঁর হাট বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। পরে সন্ধ্যার দিকে একটি ইজিবাইকে নিজের বাড়ির সামনে এসে নামেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। এরপর রাত ৯টার দিক থেকে তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় মৃতের ভাতিজা সাইফুল ফকির বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি জেনারেল ডায়েরি (জিডি) করেন।
এদিকে শুক্রবার বিকালে ফোন করে ৩০ হাজার টাকা চাওয়া হয়, টাকা দিলে তাকে অক্ষত ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানায় অপহরণকারীরা। পরে তার নম্বরটি বন্ধ করে একটি আইপি নম্বর থেকে দুইবার কল দিয়ে একই দাবি করে। পরদিন শনিবার ভোর ৬টার দিকে ইউসুফের বাড়ির আনুমানিক ৩০০ মিটার দূরে একটি পাটক্ষেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
