ম্যাচ শেষে সংঘর্ষে জড়ালেন ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার সমর্থকরা

আটলান্টায় রণক্ষেত্র

ম্যাচ শেষে সংঘর্ষে জড়ালেন ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার সমর্থকরা

ফন্ট সাইজ:

সেমিফাইনালে মাঠের চরম উত্তেজনার রেশ আছড়ে পড়লো মাঠের বাইরেও। ফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ডের ২-১ গোলে হার দেখে ইংল্যান্ড। এই নাটকীয় পরাজয়ের পর আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামের বাইরে দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে বেশ কয়েকজন ইংলিশ সমর্থককে আটক করতে হয়।

স্টেডিয়ামের নিকটবর্তী ‘হাডসন গ্রিল’ বারের সামনে প্রথম ঝামেলার সূত্রপাত ঘটে। ইংলিশ সমর্থকদের প্রিয় এই আড্ডাস্থলের সামনে দিয়ে যখন বিজয়ী আর্জেন্টাইন সমর্থকরা উল্লাস করতে যাচ্ছিলেন, তখনই দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই তা মারামারিতে রূপ নেয়। বেশ কিছু ছবিতে ইংলিশ সমর্থকদের রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। একইসঙ্গে অনেকের হাতে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা গেছে।

আটলান্টার এই সহিংসতা শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, এর আঁচ লেগেছে খোদ লন্ডনেও। ম্যাচ শেষে লন্ডনের রিজেন্ট স্ট্রিটে এক আর্জেন্টাইন সমর্থক একদল ইংলিশ ভক্তের তোপের মুখে পড়েন। উত্তেজিত ক্রুদ্ধ জনতার হাত থেকে বাঁচাতে বৃটিশ পুলিশ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পুলিশের ভ্যানে তুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

ফিফার নিয়মানুযায়ী, বিশ্বকাপজুড়ে যেখানে দর্শকদের কোনো আলাদা বসার ব্যবস্থা ছিল না। পরে দুই দেশের ঐতিহাসিক ‘ফকল্যান্ডস’ রাজনৈতিক বিতর্ক এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে চরম রূপ নেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফকল্যান্ডসের পতাকা নিয়ে বৃটিশ সমর্থকদের উস্কানি এবং মাঠের ভেতর আর্জেন্টিনার বিতর্কিত ব্যানার প্রদর্শন এই সংঘর্ষকে আরও উস্কে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বৃটিশ দূতাবাস নিশ্চিত করেছে যে, আটলান্টায় আটক হওয়া সমস্ত সমর্থককে রাতেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন