আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ফিটনেস যুদ্ধে জয়ী রাইস

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ফিটনেস যুদ্ধে জয়ী রাইস

ফন্ট সাইজ:

বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় স্বস্তি ইংলিশ শিবিরে। অসুস্থতা কাটিয়ে সময়মতো সুস্থ হয়ে উঠেছেন তারকা মিডফিল্ডার ডেকলান রাইস। আগামীকাল আটলান্টায় অনুষ্ঠেয় শেষ চারের মহালড়াইয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে শুরু থেকেই তার খেলার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
আর্লিং ব্রুট হালান্দের নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথমার্ধের পরই তুলে নেয়া হয় আর্সেনালের এই তারকাকে। ম্যাচ শেষে কোচ থমাস টুখেল জানিয়েছিলেন, ম্যাচের আগের তিন দিন প্রায় শয্যাশায়ী ছিলেন রাইস। তবে কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের বেসক্যাম্পে ফিরে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার। মঙ্গলবারের অনুশীলনে তাকে বেশ চনমনে দেখা গেছে। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, মাঝমাঠে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের সঙ্গী হিসেবে টুখেলের প্রথম পছন্দ হতে যাচ্ছেন তিনিই। রাইসের পাশাপাশি ইনজুরি শঙ্কা কেটেছে ডিফেন্ডার এজরি কোনসারও। কোয়ার্টারে ক্র্যাম্পের কারণে মাঠ ছাড়লেও, আর্জেন্টাইনদের বিপক্ষে রাইট-ব্যাক পজিশনে তাকে পাওয়ার আশা করছে দল। এছাড়া চেলসি অধিনায়ক রিস জেমস এবং নরওয়ে ম্যাচে বদলি নেমে নজরকাড়া বুকায়ো সাকাও প্রথম একাদশে জায়গা করে নিতে টুখেলের বিবেচনায় রয়েছেন।

‘একজনের ওপর মনোযোগ আটকে রাখলে চলবে না’
এদিকে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ের আগে উত্তেজনায় মাথা ঠান্ডা রাখার তাগিদ দিয়েছেন ইংলিশ গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড। ২০০২ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে চিরবৈরী এই দুই দল। পিকফোর্ড বলেন, ‘পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে আপনারা আমাদের ট্রফি জয়ের তীব্র আকাঙ্‌ক্ষা দেখেছেন। আমরা মাঠে কোনো রকমের ঝামেলায় জড়াইনি। সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষে যাক বা না যাক, আমরা নিজেদের শান্ত রেখে খেলায় মনোযোগ দিয়েছি। আমাদের মানসিকতা এতটাই শক্ত যে, এসব উত্তেজনায় আমরা গা ভাসাই না।’ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো লিওনেল মেসির মুখোমুখি হতে যাওয়া নিয়ে এভারটনের এই গোলকিপার আরও বলেন, ‘অবশেষে মেসির বিপক্ষে খেলাটা দারুণ এক অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে।

ছোটবেলা থেকেই তার খেলা অনেক দেখেছি। আমরা সবাই জানি মেসি কতটা দুর্দান্ত। তবে আর্জেন্টিনা দলটাও অসাধারণ। তাই কেবল একজনের ওপর আমাদের মনোযোগ আটকে রাখলে চলবে না।’ আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আবেগ এবং ম্যাচটি নিয়ে দলের মনোভাব সম্পর্কে পিকফোর্ড বলেন, ‘এটি মূলত দুটি আবেগপ্রবণ ফুটবল জাতি ও তাদের সমর্থকদের মধ্যকার একটি ম্যাচ। ফুটবলই ভক্ত এবং দেশগুলোকে এভাবে কাছাকাছি নিয়ে আসে। আমরা দুটি অত্যন্ত গর্বিত জাতি, তবে মাঠের ফুটবলই দিনশেষে শেষ কথা বলবে। র্যা ঙ্কিংয়ের দিক থেকে আমরা (ইংল্যান্ড), আর্জেন্টিনা, স্পেন এবং ফ্রান্স- এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা চার দেশ। ফাইনাল নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সবার সামনেই এখন দারুণ মঞ্চ প্রস্তুত। এবার প্রতিপক্ষ হিসেবে আরেকটি বড় ফুটবল শক্তির বিপক্ষে নামছি আমরা। কী দারুণ এক লড়াই হতে যাচ্ছে! আমাদের মূল লক্ষ্য কেবল তাদের হারিয়ে ফাইনালে পা রাখা।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন