বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্গত মানুষের খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি পানি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর মেরামত ও কৃষি, মৎস্য এবং গবাদিপশুর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।
সোমবার চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নে বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দুর্গত মানুষের কাছে পর্যায়ক্রমে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কোনো পরিবার যেন সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধু জরুরি খাদ্য সহায়তা নয়, বন্যার পানি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ঘরবাড়ি সংস্কার, নষ্ট হয়ে যাওয়া ফসল, মাছের ঘের ও গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়েও সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বন্যার শুরু থেকেই উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারের সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
