২০ দেশ নিয়ে ডব্লিউএএ প্রেসিডেন্ট চ্যালেঞ্জ কাপ আরচারি শুরু ২৯শে জুলাই

২০ দেশ নিয়ে ডব্লিউএএ প্রেসিডেন্ট চ্যালেঞ্জ কাপ আরচারি শুরু ২৯শে জুলাই

ফন্ট সাইজ:

২০ দেশ নিয়ে বাংলাদেশে বসতে চলেছে ডব্লিউএএ প্রেসিডেন্ট চ্যালেঞ্জ কাপ আরচারি ও জয়েন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম। ওয়ার্ল্ড আরচারি এশিয়ার তত্ত্বাবধানে এই টুর্নামেন্ট ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি রাজধানী ঢাকার পাশে গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত আরচারি ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে। ২০ দেশের প্রায় শতাধিক আরচারি অংশ নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্টে। ২৯শে জুলাই থেকে ২রা আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা।

প্রেসিডেন্ট চ্যালেঞ্জ কাপ উপলক্ষে আগামী ২৮শে জুলাই থেকে দলগুলো বাংলাদেশে আসতে শুরু করবে। ৩০শে জুলাই থেকে মূল কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণ শুরু হবে। টুর্নামেন্টটির বিশেষ দিকগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো প্রতিটি দেশের ছয়জন খেলোয়াড়ের খাদ্য ও আবাসনের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ওয়ার্ল্ড আরচারি এশিয়া। তবে শর্ত হলো, খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫০ শতাংশ নারী এবং ৫০ শতাংশ পুরুষ থাকতে হবে। এ ছাড়া, দলে অন্তত দু’জন যুব আরচার অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এবারের আসরটি শুধু রিকার্ভ ইভেন্টে অনুষ্ঠিত হবে। আইওসি চার্টার অনুসরণ করে লটারির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ছেলে ও মেয়েদের নিয়ে মিক্সড টিম গঠন করা হবে।

উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশের একজন পুরুষ আরচারের সঙ্গে ভারতের একজন নারী আরচার একই দলে রাখা হতে পারে। তরুণ আরচারদের অলিম্পিকের স্বপ্ন দেখাতে এবং খেলাটির প্রতি আগ্রহ বাড়াতে মেডেল ও উপহারের পাশাপাশি থাকছে প্রাইজমানিও। এ নিয়ে ওয়ার্ল্ড এশিয়া আরচারির প্রেসিডেন্ট কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ‘ওয়ান ভিশন, ওয়ান এশিয়া’। আমরা একটি অনন্য ও সমমর্যাদার এশিয়া গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শুধু একক কোনো দেশ শক্তিশালী থাকবে আর বাকিরা তলানিতে থাকবেÑ তা হবে না। সবাই যেন সমহারে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে লড়াই করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’ এই টুর্নামেন্ট নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নতুন রূপে এই প্রোগ্রামটি বাংলাদেশে হতে যাচ্ছে। এবার আমরা বোর্ডে একটা অভাবনীয় বাজেট পেশ করেছি, যা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।’ চপল আরও বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড আরচারি এশিয়ার বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো আয়োজনের জন্য অর্ধকোটি টাকার বেশি (৬১ লাখ ৪১ হাজার ৩৯০ টাকা) অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর আগে গত চার বছরে যে পরিমাণ ব্যয় করা হয়েছে, তার তুলনায় এটি বিশাল প্রাপ্তি।’ টুর্নামেন্টে ওয়ার্ল্ড আরচারি এশিয়ার পাশাপাশি স্পন্সর করছে মৌসুমি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। টুর্নামেন্টের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ট্রেনিং ক্যাম্পটি পরিচালনা করবেন বাংলাদেশের জার্মান কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক। এ ছাড়া, কাতার থেকে অ্যান্টি-ডোপিং কর্মকর্তা, ইংল্যান্ডের কিমস হাসপাতাল থেকে প্রতিনিধি এবং স্পোর্টস ইনজুরি, নিউট্রিশন, ফিজিওলজি ও সাইকোলজির ওপর ক্লাস নিতে ভারত থেকে আসবে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, চীন, ভারত, ইরাক, জর্ডান, সৌদি আরব, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, কাতার, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, পূর্ব তিমুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, উজবেকিস্তান, ইয়েমান, ইরান ও থাইল্যান্ড।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন