ম্যাচ হারলেও একাই লড়েছেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো। ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হারলেও পুরো ম্যাচজুড়ে আলো কেড়ে নেন তিনি।
প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে বক্সে মাজরাউয়ির ফাউলে পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। ৩ মিনিট ১১ সেকেন্ড দেরির পর স্পট থেকে শট নেন এমবাপ্পে, কিন্তু বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে বল ঠেকিয়ে দেন বুনো। এই সেভ দিয়ে বিশ্বকাপে (শুট-আউটসহ) চারটি পেনাল্টি বাঁচানোর রেকর্ড গড়লেন তিনি। ১৯৬৬ সালের পর এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ, তার সঙ্গী আরও পাঁচজন গোলরক্ষক। বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ৯টি পেনাল্টির মুখোমুখি হয়েছেন বুনো। এর মধ্যে মাত্র দুটি গোল হয়েছে, চারটি সেভ করেছেন আর তিনটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে প্রতিপক্ষের। ২০২২ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোর শুট-আউটে কার্লোস সোলের ও সের্হিও বুসকেতসের শট ঠেকান বুনো, যা মরক্কোকে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে তোলে। এবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর শুট-আউটেও একটি শট ঠেকান তিনি।
প্রথমার্ধে ফ্রান্স ১৩টি শট নিলেও মরক্কোর মাত্র একটি। তবু স্কোরলাইন ছিল ০-০। বুনো একাই তিনটি সেভ করেন, যার মধ্যে ছিল দেজিরে দুয়ের শট ও দায়ত উপামেকানোর হেড। পুরো ম্যাচে মোট ছয়টি সেভ করেন বুনো। তার নৈপুণ্যে লুকাস দিনিয়ের দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লেগে ফেরে। বুনোর এত প্রতিরোধের পরও ৬০ মিনিটে এমবাপ্পে ও ৬৫ মিনিটে দেম্বেলের গোলে হার এড়াতে পারেনি মরক্কো।
৩৫ বছর বয়সী বুনো বর্তমানে সৌদি ক্লাব আল হিলালে খেলেন। ৯৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই গোলরক্ষক সেভিয়ায় থাকাকালীন জিতেছেন দুটি ইউরোপা লীগ শিরোপা।
আড়ালে থেকে গেলেন বুনো
স্পোর্টস ডেস্ক
খেলা
২ ঘন্টা আগে
১০ জুলাই (শুক্রবার), ২০২৬, ৪ঃ৪৯ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
