বিশ্বকাপে যে দলকে এড়াতে চান মেসি

বিশ্বকাপে যে দলকে এড়াতে চান মেসি

ফন্ট সাইজ:

ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠতে সময় বাকি চার মাসেরও কম। আগামী জুনে উত্তর আমেরিকায় নিজেদের শিরোপা রক্ষার মিশনে নামবে আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত লিওনেল মেসিকে সেখানে দেখা যাবে কি না, তা এখনও শতভাগ নিশ্চিত নয়। তবে এর আগে এক সম্ভব্য প্রতিপক্ষকে এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়ে খোলাখুলিই কথা বললেন আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক।

মেসি বলছেন এবারের সহ-আয়োজক মেক্সিকোর কথা। এবারের বাকি দুই আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। নিজের সাবেক সতীর্থ ও মেক্সিকান ক্লাব টাইগ্রেস ইউএএনএলের গোলকিপার নাহুয়েল গুজমানের সঙ্গে ‘মিরো দে আতরাস’ পডকাস্টে আলাপচারিতায় ২০২২ বিশ্বকাপের স্মৃতিচারণ করেন মেসি। সেই আসরের গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচটির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম, যেখানে হেরে গেলেই বিদায়ঘন্টা বেজে যেতো বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।

আগের ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে ২-১ গোলের অপ্রত্যাশিত হারের পর খাদের কিনারায় চলে যায় লিওনেল স্কালোনির দল। সবকিছু মিলিয়ে মেক্সিকো ম্যাচটি ছিল মেসিবাহিনীর বড় পরীক্ষা।সে কথা অকপটেই স্বীকার করলেন পরে বিশ্বকাপ শিরোপা তুলে ধরা অধিনায়ক।

মেসির ভাষায়, ‘সত্যি বলতে আমরা ভয় নিয়েই মাঠে নামি।’ প্রথম ম্যাচেই হারের পর দলের ভেতর মানসিক চাপ ছিল প্রকট। আরেকটি হার মানেই তখন স্বপ্নভঙ্গ। ইতিহাস ঘাটলে আর্জেন্টিনার পরিসংখ্যান মেক্সিকোর থেকে ভালো হলেও, তারা যে সবসময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ, এ কথা মেনে নেন আর্জেন্টাইন তারকা।

মেসির মতে, বল নিজেদের পায়ে রাখার সামর্থ্য, প্রতিপক্ষের ছন্দ নষ্ট করার কৌশল এবং তাদের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, সব মিলিয়ে মেক্সিকো বিশ্বের যে কোনো শক্তিশালী দলকেই অস্বস্তিতে ফেলতে পারে।

পডকাস্টে ৩৮ বছর বয়সী মেসি বলেন, ‘বিশ্বকাপ ও বড় টুর্নামেন্টগুলোতে আমাদের প্রায়ই দেখা হয়, এবং বেশির ভাগ সময়ই সেটি হয় বাঁচা-মরার লড়াই। শেষবার (দেখা) হয় গ্রুপ পর্বে... এবার তোমাদের (মেক্সিকো) ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দারুণ একটি সুযোগ। নিজের মাঠে খেললে একটি প্রভাব থাকেই, ভালো বা খারাপ, দুভাবেই। তবে যাই হোক, আশা করি এবার আমাদের মুখোমুখি হতে হবে না।’

আগামী ১১ই জুন রাতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের। এটি যেন ২০১০ বিশ্বকাপের ‘দে জ্য ভ্যু’। সেবারের আসরেও পর্দা ওঠে এ দু’টি দেশের ম্যাচ দিয়েই, যে ম্যাচে জন্ম শাবালালার সেই ঐতিহাসিক গোল ও পিটার ড্রুরির কাব্যিক ধারাভাষ্যটির। ১৭ই জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের মিশন শুরু করবে আর্জেন্টাইনরা।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন