ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃতদেহ ইরাকে নিয়ে যাওয়া হয় জানাজা ও শোকযাপনের উদ্দেশ্যে। ইরানের মতো ইরাকেও প্রচুর মানুষ অংশ নেন শেষ বিদায় জানাতে। ইরাকের পবিত্র নাজাফ শহরে ইরানের প্রয়াত এই সর্বোচ্চ নেতার জানাজা ও শোকযাত্রায় ২৩ লাখের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন।
ইরাকের রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদিত আধাসামরিক জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) বা হাশদ আল-শাবি বুধবার এই তথ্য জানায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত পিএমএফ-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের আগমন অব্যাহত থাকায় শোকাকুল জনতার এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। খামেনির মরদেহ ইরান ও ইরাকজুড়ে কয়েক দিনব্যাপী শেষবিদায়ের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নাজাফে নিয়ে যাওয়া হয়। তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করার আগে কোম, কারবালা এবং নাজাফে এই জানাজা ও শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। নাজাফ শহরটি মক্কা ও মদিনার পর শিয়া ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত। ইরাকের ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র গরম।
এ কারণে শিয়া সম্প্রদায়ের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি শারীরিকভাবে দুর্বল থাকায় এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেননি। আজ বুধবার বিকেলের দিকে খামেনির কফিন শিয়া ইসলামের চতুর্থ পবিত্রতম স্থান কারবালায় নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানেও ব্যাপক মানুষের সমাগমের আশা করা হচ্ছে। কারবালায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ বুধবার রাতেই মৃতদেহ পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
