দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তুললেও, শেষ পর্যন্ত ডেডলক ভাঙতে পারেনি কেউ। ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে গোলশূন্য ড্র নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো শেষ ১৬র শেষ ম্যাচটি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে সুইজারল্যান্ড কিছুটা চেপে ধরে কলম্বিয়াকে। ৫৪ মিনিটে সুইস মিডফিল্ডার রিডারের একটি ফ্রি-কিক জালের বাইরের পাশে লাগলে অনেকেই গোলের বিভ্রান্তিতে পড়েন।
৬০ মিনিটে লুইস দিয়াজকে ফাউল করায় হলুদ কার্ড দেখেন সুইস ডিফেন্ডার জাকারিয়া। এর পরেই সুয়ারেজ কলম্বিয়ার পক্ষে সহজ সুযোগ পেলেও শট লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন।
৭৩ মিনিটে কলম্বিয়ার বক্সে বল পাঞ্চ করতে গিয়ে সুইস স্ট্রাইকার এমবোলোকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেন কলম্বিয়ান কিপার ভার্গাস। তবে বড় কোনো ইনজুরি হয়নি।
ম্যাচের শেষ দিকে সুইজারল্যান্ডের দুটি পেনাল্টির জোরালো দাবি ভিএআরে নাকচ হয়ে যায়। শেষ বাঁশির আগ মুহূর্তে এনদোয়ের কোণাকুণি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গোল ছাড়াই শেষ হয় নির্ধারিত সময়। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে এখন অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে লড়বে দুই দল।
গোলশূন্য বিরতিতে সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়া
শেষ ১৬র শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়া। হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে গোলশূন্য বিরতিতে গেছে দুদল। তবে মাঠের লড়াই ছিল বেশ জমজমাট। বলের নিয়ন্ত্রণে সুইজারল্যান্ড (৫১%) সামান্য এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে ধার বেশি ছিল কলম্বিয়ার।
লুইস দিয়াজ ও হামেস রদ্রিগেসকে কেন্দ্র করে কলম্বিয়া বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করে। ম্যাচের ২২ মিনিটে পুয়ের্তার জোরালো শট দারুণভাবে রুখে দেন সুইস কিপার কোবেল। পরের মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক সুইজারল্যান্ডকে গুছিয়ে উঠতে সাহায্য করে।
৩১ মিনিটে রিডারের নেয়া নিচু শট দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন কলম্বিয়ার গোলকিপার ভার্গাস। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কলম্বিয়া লুইস দিয়াজকে ব্যবহার করে বাঁ প্রান্ত দিয়ে একের পর এক আক্রমণ চালালেও, সুইস ডিফেন্ডার ফ্রয়লার ও আকানজি দেয়াল হয়ে দাঁড়ান।
বেশ কিছু ফাউল ও টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত গোলশূন্যভাবেই বিরতিতে যায় দুই দল। এই ম্যাচের জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে।
