এশিয়া কাপের ভেন্যু ভাবনায় বিসিবি

এশিয়া কাপের ভেন্যু ভাবনায় বিসিবি

ফন্ট সাইজ:

ওয়ানডে ফরম্যাটে ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম জমজমাট আসর এশিয়া কাপ আয়োজনের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর বোর্ড এখন ভেন্যু চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত। গতকাল গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিসিবির নিরাপত্তা কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইবরাহীম আহমেদ জানান মিরপুর, সিলেট ও চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামকে কেন্দ্র করে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা মিরপুর, চট্টগ্রাম এবং সিলেট- আমাদের যে সচরাচর আন্তর্জাতিক ভেন্যুগুলো রয়েছে, সেগুলো নিয়ে বিবেচনা করছি। কিন্তু আবারও বলছি, এখনো কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে ইনশাল্লাহ এশিয়া কাপ যদি বাংলাদেশে হয়, তাহলে আপনারা সবকিছুই দেখতে পারবেন।’ দীর্ঘদিন পর এশিয়ার সেরা দলগুলোর লড়াই ঘরের মাঠে ফেরানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বোর্ড।

এসিসি থেকে ভেন্যু নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও মাঠের প্রস্তুতির বিষয়ে প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে বিসিবি। দর্শকদের জন্য একটি চমৎকার, সফল ও স্মরণীয় টুর্নামেন্ট উপহার দেওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য ও অঙ্গীকার বলে জানান বিসিবির নিরাপত্তা কমিটির এই পরিচালক ও সদস্য। এর আগে ৫ বার বাংলাদেশ সফলভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। অতীতে বেশ কয়েকবার দেশি দর্শকদের সামনে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে সাঈদ ইবরাহীম আহমেদ বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে এত বছর পরে এশিয়া কাপ আবার বাংলাদেশে আসছে, আমরা যাতে দর্শকদেরকে এবং যারা খেলাপ্রেমী, তাদেরকে যাতে একটা ভালো টুর্নামেন্ট উপহার দিতে পারি।’ তার মতে, বিসিবি প্রতিটি আসরের মতো এবারও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার পরিকল্পনা করছে। আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন তাদের মূল চ্যালেঞ্জ।

এসিসি প্রতিনিধিদের কাছ থেকে ভেন্যুগুলো যাচাই-বাছাইয়ের রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বোর্ড। ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাংলাদেশে আকাশচুম্বী, তাই বিশাল এই আয়োজন সফল করতে বিসিবি কোনো কার্পণ্য করবে না। মাঠের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন- সবকিছুতেই আধুনিকতার ছোঁয়া থাকবে বলে জানান নয়া এই পরিচালক। এশিয়ার ক্রিকেট শক্তিগুলোর শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন অগণিত ক্রিকেট ভক্ত। বাংলাদেশের জন্য এই টুর্নামেন্ট কেবল একটি আয়োজন নয়, বরং বিশ্ব দরবারে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণের এক সুযোগ।

বিসিবির নিরাপত্তা কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইবরাহীম আহমেদ আরও যোগ করেন, ‘আমরা তো আমাদের থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং কতটা ইতিবাচক, সেটা তো আপনারা হয়তো আমাদের কিছু কার্যক্রম দেখে বুঝতে পারছেন। আমরা চেষ্টা করছি, এখন বাকিটা কী ঘটে তার ওপর নির্ভর করবে।’ এসিসি ও বিসিবি সম্মিলিতভাবে টুর্নামেন্টের নতুন দিনক্ষণ ঘোষণা করবে। ভেন্যু নির্বাচন থেকে শুরু করে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা- প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন