মিরাজ বললেন, ‘১৪২ রান করাও সহজ নয়’

মিরাজ বললেন, ‘১৪২ রান করাও সহজ নয়’

ফন্ট সাইজ:

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পর ওয়ানডে সিরিজের শুরুটাও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। হারারেতে প্রথম ওয়ানডেতে মাত্র ১৪০ রান তাড়া করতে ব্যর্থ হয় টাইগাররা। আর ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, ‘দলের উন্নতির জায়গা আছে।’ স্বাগতিকদের অল্প রানে বেঁধে ফেলেও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় লক্ষ্য তাড়া করতে পারেনি বাংলাদেশ।

প্রথম ওয়ানডে ৭০ রানে আট জিম্বাবুইয়ান ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠায় বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ দুই উইকেটে আরো ৭১ রান যোগ করে স্বাগতিকরা। জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের থেকে শিক্ষা নিতে পারেনি টাইগাররা। বড় শট খেলতে গিয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন। যে কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টাইগারদের শোচনীয় পরাজয়। টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা কিছু জায়গায় আরও উন্নতি করতে পারি। তারা ৮ উইকেট হারিয়েও ভালো জুটি করেছে, অনেক রান বের করেছে। এখানে আমাদের দুর্বলতা ছিল।’ প্রথম ওয়ানডে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিল ৪৯ রানের। তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু বাকিরা আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিলেন। মিরাজ বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে শুরুর ১০ ওভারে জুটি গড়তে পারলে আরও ভালো করতে পারবো আমরা। দায়িত্ব নিয়ে ভালো করতে হবে আমাদের।

১৪২ রান এই কন্ডিশনে এত সহজও নয়।’ জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপকে ধসিয়ে দেয়া নাহিদ রানা হতে পারতেন ম্যাচের নায়ক। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতা চাপাই এক্সপ্রেসের সাফল্যকে সামান্য আড়াল করে দেয়। নাহিদ নিজেও ম্যাচ হারার কারণ হিসেবে ব্যাটারদের কাঠগড়ায় তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে যে, আমরা শুরুটা ভালো করেছিলাম বোলিংয়ে। তবে ব্যাটিংয়ে শুরুটা সেভাবে ভালো করতে পারিনি। ভালো একটা বড় জুটি হলে এবং ব্যাক টু ব্যাক উইকেট না পড়লে ভালো হতে পারত কিন্তু সবাই সবার জায়গা থেকে চেষ্টা করেছে। ১৫ জন স্কোয়াডে থাকে, ১১ জন খেলে। সবসময় ১১ জনেরই ব্যাট করার জন্য প্রস্তুতি রাখা উচিত, যেকোনো সময় ব্যাট করার সুযোগ আসতে পারে।’ ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬ রানে ৬ উইকেট নেন পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা। ২০ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙেছেন নাহিদ। প্রথম ওয়ানডেতে ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২১ রানে নেন ৬ উইকেট।

গড়েন ওয়ানডেতে দেশের সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ড। তবুও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া শেষ উইকেটটি দ্রুত নিতে না পারার আক্ষেপ নাহিদের। তিনি বলেন, ‘শেষের যে জুটি হয়েছিল তা যদি আরও আগে ভাঙতে পারতাম হয়তো ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারতো। সেখানে বোলাররা মনে হয় একটু লুজ বোলিং করেছি। সবসময় বোলিং উপভোগ করি। যে দিনটা আমার যাবে, চেষ্টা করি আমার করে নেয়ার। চেষ্টা থাকে দলকে জেতানো।’ আগামীকাল দুপুর দেড়টায় হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে শুরু হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন