অনন্য দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর, পদক্ষেপ গ্রহণের ১ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার স্কুলছাত্র

অনন্য দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর, পদক্ষেপ গ্রহণের ১ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার স্কুলছাত্র

ফন্ট সাইজ:

সচিবালয়ের কর্মচারী খন্দকার শামীম। তার ছেলে খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার সময় স্কুল থেকে বের হওয়ার পর চার-পাঁচ জন তাকে জোড়পুকুর এলাকার সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। এরপর তার বাবার নম্বর নিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারীরা। নাহলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। বাবা সচিবালয়ে চাকরি করেন তাই তিনি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে কাঁদতে কাঁদতে ঢুকে পড়েন। পরে প্রধানমন্ত্রী ছেলেটিকে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরপরই তৎপরতা শুরু করেন পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম। তিনি ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধারের অভিযানে নেতৃত্ব দেন। পরে বিকালে খিলগাঁওয়ের নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে ছেলেটিকে উদ্ধার করা হয়।

সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, খন্দকার শামীম ছেলে অপহরণের খবর শুনে হতভম্ব হয়ে পড়েন। কী করবেন না করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেও সমাধান পাচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে কান্নাকাটি শুরু করেন। কান্না করতে করতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে প্রধানমন্ত্রীকে ছেলে অপহরণের কথা জানিয়ে সাহায্য নেন। প্রধানমন্ত্রীও বিষয়টি আমলে নিয়ে ফোন করে পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

পুলিশের রমনা বিভাগ জানিয়েছে, প্রথমে অপহরণকারীরা যে মোবাইল নম্বর থেকে ফোন দিয়েছিল ওই নম্বরে যোগাযোগ করে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করা হয়। কোন নম্বরে টাকা পাঠাতে হবে সেটি চাওয়া হয়। তখন তাদের সঙ্গে দর কষাকষি শুরু হয়। একপর্যায়ে মুক্তিপণ ৫০ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় নেমে আসে। রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, মুক্তিপণের টাকা নিয়ে দর কষাকষির মধ্যেই তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান চালিয়ে ছেলেটিকে উদ্ধার করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়।

SM. SHARIFUL ISLAM

৪ মাস আগে

সারাটাজীবন পড়ছি ডাক্তার আসার আগে রোগীটি মারা গেলো, ঠিক এখানেও তাই পুলিশ আসার আগেই অপহরনকারীরা নাই, কেমনে কি বুজলাম না।

সাহিল ভাই

৪ মাস আগে

আশির দশকের এরশাদ মার্কা পুরানো নাটকীয় কার্যকলাপ বন্ধ করে সর্বনিম জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা বেশি প্রয়োজন।

মোঃ দবিরুল ইসলাম। শিবগনজ, থান ও জেলা ঠাকুর গাও।

৪ মাস আগে

প্রধান মনত্রিকে এমন উদদোগের জন্য ধন্যবাদ। অপহরনকারীদের ধরে শাস্তিরব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
এমন পরিবেশ তৈরী করতে হবে, যেন দেশে কোন অপহরনের ঘটনা না ঘটে।

Hedayet Ullah

৪ মাস আগে

ভূক্তভোগী বাবা সচিবালয়ের কর্মচারী না হলে সে ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত কেমন হতো। আমরা সাধারণ জনগণ এধরনের চমকের চেয়েও চাই নাগরিক হিসাবে দেশের সকল জনগণ সমান নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত পাবে।

sukur ulla

৪ মাস আগে

এইদরনের কাজের ভুক্ত বুগি আমি ও।এরা আওয়ামীলীগের কিশোর গ‍্যং।কিশোর গ‍্যং চিরতরে নির্মুল করা হোক

A H Khan

৪ মাস আগে

তদন্ত করে বের করুন এই অপহরণকারীরা কারা ।এদের পিছনে কে আছে? সরকারি দলের ছাত্র ছায়া ছাড়া এদের পক্ষে কিছু করা সম্ভব না!

Emdadul

৪ মাস আগে

Oporadider dorte parle bojbo sothik gotona.
Ta na hole eta sazano natok.

মন্তব্য করুন