হেরেও নিজেদের ‘সেরা’ মানছেন কানাডা কোচ

হেরেও নিজেদের ‘সেরা’ মানছেন কানাডা কোচ

ফন্ট সাইজ:

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর কানাডার প্রধান কোচ জেসি মার্শ জানিয়েছেন, মরক্কো ম্যাচ জিতলেও কানাডা সেরা খেলা উপহার দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা খেলাটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করেছি। আমাদের জেতার সম্ভাবনা অনেক বেশি ছিল। সার্বিকভাবে, আমরা তাদের চেয়ে ভালো খেলেছি।’ এই মন্তব্যের পর মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, ‘যখন আপনি ৩-০ গোলে পিছিয়ে থাকেন, তখন এমন কথা বলার জন্য অনেক সাহসের প্রয়োজন হয়।’ কানাডাকে বিশ্বকাপের প্রথম জয়, নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন এবং নকআউট ম্যাচে জয় এনে দেয়া মার্শ এখন কানাডায় জাতীয় বীরের মর্যাদা পাচ্ছেন।

তার কোচিং দর্শন এবং কানাডার প্রতি ভালোবাসা দেশটির ভক্তদের মন জয় করেছে। ম্যাচ শেষে তাকে ২০৩০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি টিএসএন নেটওয়ার্ককে বলেন, ‘এমন একটি দলকে সমর্থন করতে পারা আমাদের ভক্তদের জন্য পরম সৌভাগ্যের।’ মরক্কো ম্যাচে দলের মূল্যায়ণ করতে গিয়ে মার্শ বলেন, ‘আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল না খেলে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছি। আমরা দেখিয়েছি যে আমরা আরও ভালো করতে পারি। আমাদের এই ধরণের পরিস্থিতিতে বারবার খেলতে হবে, জয়ের পথ খুঁজে বের করতে হবে এবং সেখান থেকেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’ মরক্কো দলকে শ্রদ্ধা জানিয়েও মার্শ বলেন, ‘কী দারুণ এক দল আমাদের! আমি মরক্কোর জায়গায় আমাদের দলেই থাকতে চাইবো। মরক্কো নিঃসন্দেহে ভালো দল, কিন্তু তারপরও আমি আমাদের দলকেই বেছে নেবো। ছেলেদের নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত। আমরা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিলাম।

তারা এখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে, কিন্তু কোচ হিসেবে এর চেয়ে বেশি গর্বিত আমি হতে পারতাম না।’ পুরো ম্যাচে ৬৫ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেছিল মরক্কো। অথচ গোলপোস্টের উদ্দেশ্যে তারা নিতে পেরেছে মাত্র একটি শট! তাদের গোল করার সম্ভাবনা বা ‘এক্সপেক্টেড গোল’ ছিল মাত্র ০.০২। ফাইনাল থার্ডে তারা পাস সম্পন্ন করতে পেরেছে ১১টি। বিপরীতে, একই এলাকায় কানাডা ৩৮টি পাস সম্পন্ন করে। এ নিয়ে মার্শ বলেন, ‘আমরাই ভালো দল ছিলাম। তারা আমাদের চেয়ে দু-একটি সুযোগ কাজে লাগিয়েছে, কিন্তু আমাদের ইনটেনসিটি নিয়ে কোনো ঘাটতি ছিল না। মূল সমস্যা ছিল ফাইনাল থার্ডে গিয়ে আমরা সঠিক সুযোগটা কাজে লাগাতে পারিনি।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন