জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি’র (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ পরিদর্শন করেছেন। শনিবার মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকারের স্বাগত জানানোর মধ্যদিয়ে তার এ সফর শুরু হয়। পরিদর্শনকালে ড. তানাকা জাইকার সহায়তায় পরিচালিত জীবিকা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় মুরগি পালন করা একটি রোহিঙ্গা পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টির উন্নয়ন এবং আয়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টির অভিজ্ঞতা শোনেন। এ সময় তিনি উপকারভোগী পরিবারগুলোর সফলতার গল্প শুনে তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চান।
উপকারভোগীরা জানান, প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তারা মুরগি পালন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছেন, যা ভবিষ্যতে পরিবারের আয় বৃদ্ধি এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ড. তানাকা আকিহিকো উপকারভোগীদের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তুলতে কমিউনিটিভিত্তিক জীবিকা কর্মসূচির গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতেও সহায়ক।
মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার বলেন, জাইকার সহযোগিতায় পরিচালিত জীবিকা উন্নয়ন কার্যক্রম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে জাইকার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই সফরের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টেকসই জীবিকা উন্নয়ন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জাইকা ও মুক্তি কক্সবাজারের চলমান অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় হবে।
