জাতি যখন কোনো দিকনির্দেশনা পাচ্ছিল না এবং হতাশায় নিমজ্জিত ছিল, তখন দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন মেজর জিয়া। এমন মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, দেশের অভ্যুদয়ের সঙ্গে যে নামটি জড়িত, সেটি হচ্ছে মেজর জিয়াউর রহমান। দেশমাতৃকার টানে সাহসিকতার সঙ্গে চট্টগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন মেজর হিসেবে প্রথম বিদ্রোহ করেছিলেন তিনি। জাতি যখন কোনো দিকনির্দেশনা পাচ্ছিল না, তখন দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন মেজর জিয়া। শুক্রবার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিতে জিয়ারত, পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নিতে চায় না। বিগত সময়ে ভুল ইতিহাস গিলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের শিশু ও নতুন প্রজন্মকে ভুল ইতিহাস শেখানোর চেষ্টা হয়েছে। ইতিহাস তৈরি করা যায় না, ইতিহাস সৃষ্টি করা হয়। সেই ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এর আগে মন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাঙ্গুনিয়ার পোমরা জিয়ানগরস্থ প্রথম সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি রাঙ্গুনিয়া এতিম ও দুস্থ শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৪৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পোশাক ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর কেউ যেন নিজেকে দুর্বল মনে না করে, সেজন্য প্রশিক্ষণোত্তর বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হবে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো বীরকে জাতি যাতে আজীবন শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে পারে, সে জন্য রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরে উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য মো. এরশাদ উল্লাহ, রাঙ্গুনিয়া আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান এবং এতিম ও দুস্থ শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপ-তত্ত্বাবধায়ক মো. ছানাউল্লাহ। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
