বর্ষার শুরুতেই নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চারালকাটা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাহাগিলী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া, দক্ষিণ দুরাকুটি, কালুরঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছে বসতভিটা, ঈদগাহ মাঠ, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সড়ক। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর নদীভাঙনে বহু কৃষক সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন। এবার ভাঙনের তীব্রতায় আতঙ্কে দিন কাটছে নদী তীরবর্তী মানুষের।
দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য জোনাব আলী খান বলেন, ভাঙন অব্যাহত থাকলে পুরো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কৃষক আমিনুর রহমান জানান, তার প্রায় ২০ বিঘা জমি নদীতে চলে গেছে। অপর কৃষক নুরুল আমিন বলেন, দীর্ঘদিনের ভাঙনে প্রায় ৫০ বিঘা জমি হারিয়ে এখন দিনমজুরি করে সংসার চালাতে হচ্ছে।
সম্প্রতি সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি বিলকিস ইসলাম ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে ১২০ মিটার জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন। তবে এলাকাবাসীর দাবি, সাময়িক নয়, পুরো ভাঙনকবলিত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হোক। এ বিষয়ে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে।
