হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে নতুন ব্রিজ ইউনিট যুবদল নেতাকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, অপহরণকারীরা তাকে জিম্মি করে আড়াই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয়। পরে র্যাব কর্মকর্তাকে জানালে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় এবং তিনি প্রাণে রক্ষা পান। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম (৪২) জানান, তিনি শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকার বাসিন্দা এবং নতুন ব্রিজ ইউনিট যুবদলের নেতা। সম্প্রতি তিনি শায়েস্তাগঞ্জ থানার মোড়ে অবস্থিত নাজমা কমিউনিটি সেন্টারে একটি বিয়ের দাওয়াতে অংশ নেন।
অভিযোগে বলা হয়, অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুল আলী, মোসাহিদ মিয়া, শাহজাহান মিয়া, ইশতাক মিয়া ও তাদের সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা দু’টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং নগদ ১ লাখ ২১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে অপহরণকারীরা তাকে শায়েস্তাগঞ্জ গার্লস স্কুলের পেছনের নির্জনস্থানে নিয়ে জিম্মি করে। সেখান থেকে তার ভাগনে আলমগীর হোসেনের কাছে ফোন করে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অপহরণ কারীরা হুমকি দেয়, মুক্তিপণের টাকা না দিলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলা হবে। রফিকুল ইসলাম আরও জানান, একপর্যায়ে তিনি কৌশলে র্যাব কর্মকর্তা নীরব আহমেদকে বিষয়টি জানাতে সক্ষম হন।
খবর পেয়ে র্যাব সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
