সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ ভয়ে দেশে ফিরতে পারছেন না প্রবাসী

ফন্ট সাইজ:

দক্ষিণ সুরমার বলদি গ্রামে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মাহবুবুর রহমানের সম্পত্তি দখল, স্বর্ণালংকার চুরি, মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন তার আমমোক্তার একই গ্রামের বাসিন্দা মো. কালা মিয়া। মাহবুবুর রহমানের ছোট ভাই ময়নুল ইসলাম এবং ছোট বোন আকলিমা বেগম লাকি ও তার স্বামী শাহ আব্দুস শহীদের বিরুদ্ধে শনিবার সিলেট প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবুর রহমানের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. কালা মিয়া। তিনি বলেন, মাহবুবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। ছোট ভাই-বোনেরা অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকাকালে তিনি নিজের কষ্টার্জিত অর্থে বাবার নামে দক্ষিণ সুরমার বলদি মৌজায় ২৩ শতক ভূমি ক্রয় করে সেখানে দালান নির্মাণ করেন, যাতে বাবা-মা ও ছোট ভাই-বোনরা বসবাস করতে পারেন। পরিবারের সদস্যদের লেখাপড়ার ব্যয় বহনের পাশাপাশি তিন বোনের বিয়ের খরচও তিনি বহন করেন। দ্বিতীয় ভাই নাজমুল ইসলামকে যুক্তরাজ্যে নিয়ে গিয়ে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেন।

পরে ছোট ভাই ময়নুল ইসলামকেও যুক্তরাজ্যে নিয়ে যান এবং বৈধভাবে সেখানে রাখার জন্য তার বিয়ের ব্যবস্থাও করেন। তবে বিয়ে চূড়ান্ত হওয়ার পর কাউকে না জানিয়ে ময়নুল দেশে ফিরে এসে নিজের পছন্দে বিয়ে করেন। তিনি আরও বলেন, বাবার মৃত্যুর পর মাহবুবুর রহমান নিজের অর্থে গড়ে তোলা সম্পত্তি ভাই-বোনদের মধ্যে ভাগ করে দেন। তিন ভাই বাড়ির ৭ দশমিক ৬৬ শতক করে জমি পান এবং পরে তিন বোন তাদের প্রাপ্ত অংশ হেবা দলিলের মাধ্যমে তিন ভাইকে হস্তান্তর করেন। এরপর ছোট বোন আকলিমা বেগম লাকির বাড়িও নির্মাণ করে দেন।

এ সময় সাময়িকভাবে আকলিমা বাবার বাড়িতে থাকার অনুমতি নিলেও তিনি ও তার স্বামী শাহ আব্দুস শহীদ মাহবুবুর রহমানের অংশের বাড়ি দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রবাসীর দখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধার করে দেয়ার দাবি জানানো হয়।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন