আনোয়ারায় গৃহবধূ ও জেলের মরদেহ উদ্ধার

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় এক গৃহবধূ ও এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যা এবং শনিবার সকালে উপজেলার পৃথক দু’টি স্থান থেকে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করা হয়। একটি ঘটনায় বিষপানে আত্মহত্যার দাবি করেছে পরিবার, অপর ঘটনায় আর্থিক বিরোধের জেরে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজনরা। নিহতরা হলেন- উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পূর্ব বরইয়া এলাকার উম্মে হাবিবা (২২) এবং সদর ইউনিয়নের ঘনপুকুরপাড় এলাকার জেলে জিকু সর্দ্দার (৩৫)।

জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পূর্ব বরইয়া এলাকা থেকে উম্মে হাবিবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি সায়েদ ইমরানের স্ত্রী এবং এক কন্যাসন্তানের জননী। পরিবারের সদস্যদের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি ইঁদুর মারার বিষ পান করেন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে, শনিবার সকাল ৯টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘনপুকুরপাড় এলাকার একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় জিকু সর্দ্দারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার বিলপুর হাঁড়িপাড়া এলাকায়। নিহতের পরিবারের দাবি, ভায়রার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই জিকুকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাদের সন্দেহ। তবে জিকুর স্ত্রী জানান, কয়েক দিন ধরে তার স্বামী মানসিকভাবে বিষণ্ন ছিলেন। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তিনি পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া, কিছু টাকা ব্যাংকে জমা রাখার কথাও বলেছিলেন। তবে পুরো বিষয়টি তিনি বিস্তারিতভাবে কারও সঙ্গে আলোচনা করেননি। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, উম্মে হাবিবার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিকু সর্দ্দারের মৃত্যুর ঘটনাটিও গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। দু’টি ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন