ফের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কা

উখিয়া সীমান্তে বিজিবি’র নজরদারি জোরদার

ফন্ট সাইজ:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপে জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত আবারো তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণের ঘটনায় সীমান্তবর্তী টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় নাফ নদসহ পুরো সীমান্ত জুড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বুধবার রাত থেকে মংডু এলাকায় দফায় দফায় বিমান হামলা ও বিস্ফোরণের বিকট শব্দ টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে স্পষ্ট শোনা যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় সীমান্তসংলগ্ন কয়েকটি এলাকায় ঘরবাড়িও কেঁপে ওঠে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সীমান্তে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেকেই অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলছেন। নাফ নদে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরাও সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, জান্তা বাহিনীর যুদ্ধবিমান মংডু এলাকায় আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালাচ্ছে। এতে বেশ কিছু বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নতুন করে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানা গেছে। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে সীমান্তমুখী মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উখিয়া-৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সীমান্তে অতিরিক্ত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত সীমান্তে অনুপ্রবেশ কিংবা বাংলাদেশ ভূখণ্ডে গোলা এসে পড়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন