ইন্দোনেশিয়ার মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমানে আগুন

ইন্দোনেশিয়ার মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমানে আগুন

ফন্ট সাইজ:

ইন্দোনেশিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীরা দেশটির পাপুয়া অঞ্চলে এক মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং তার বিমানে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘ওয়েস্ট পাপুয়া ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার হাইল্যান্ড পাপুয়া প্রদেশে বিমানটি অবতরণ করার পর তারা পাইলট নিকোলাস এফ গসলিংকে হত্যা করে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দাবি, বেসামরিক পাইলটরা ইন্দোনেশিয়ার সেনাদের এই অঞ্চলে আনা-নেয়ার কাজ করছিল এবং গসলিংয়ের মৃত্যু সেই কাজের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ বার্তা। ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা গসলিংয়ের বিমানটি পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও পাইলট এবং বিমানে থাকা সাতজন যাত্রীর ভাগ্যে ঠিক কী ঘটেছে, তা এখনো অস্পষ্ট বলে জানিয়েছেন। প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধ এই অঞ্চলের স্বাধীনতা নিয়ে ইন্দোনেশিয়া সরকার এবং ওয়েস্ট পাপুয়ার আদিবাসীদের মধ্যে কয়েক দশক ধরে সংঘাত চলছে।

ইন্দোনেশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইয়াহুকিমো অঞ্চলের একটি বিমানবন্দরে মার্কিন পাইলট ও সাত যাত্রী বহনকারী বিমানটি পুড়ে যাওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। যে বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি উড্ডয়ন করেছিল, সেখানকার পরিচালকের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তর জানিয়েছে যে পাইলট মারা গেছেন। তবে ঘটনার মূল কারণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের অপেক্ষা করা হচ্ছে। ১৯৬৯ সালে পাপুয়া ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকে এই সংঘাত শুরু হয়, যার ফলে ব্যাপক বেসামরিক মানুষের মৃত্যু এবং বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে ২০২৪ সালে দীর্ঘ আলোচনার পর একই গোষ্ঠীর কাছ থেকে ১৯ মাস বন্দী থাকার পর এক নিউজিল্যান্ডের পাইলট মুক্তি পেয়েছিলেন। তার ঠিক এক মাস আগে এই গোষ্ঠীর বন্দুকধারীরা গ্লেন ম্যালকম কনিং নামে আরেক নিউজিল্যান্ডের হেলিকপ্টার পাইলটকে অবতরণের পরপরই গুলি করে হত্যা করেছিল।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন