সুপ্রিম কোর্টের কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারণার মাধ্যমে অন্য প্রার্থীর হয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার ঘটনায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অফিস সহকারী মো. আলমগীর হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশটি ১লা জুলাই জারি করা হলেও তা ৫ই জুনের ফৌজদারি মামলার রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে কার্যকর করা হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়, মো. আলমগীর হোসেন সুপ্রিম কোর্টে কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অন্য ব্যক্তির হয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সন্দেহ হলে তার প্রবেশপত্র যাচাই করে দেখা যায়, সেটি তার নয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে পরীক্ষা বোর্ড নিশ্চিত হয় যে তিনি প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি চাকরি লাভের চেষ্টা করেছেন। এ সময় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে অশালীন ভাষায় কথা বলেন এবং অসংযত ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন।এ ঘটনায় দায়ের হওয়া শাহবাগ থানার সি.আর. মামলা নং-১৩৪০/২০২৬-এ গত ৫ই জুন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত তাকে ডিএমপি অধ্যাদেশ, ১৯৭৬-এর ৭৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪১৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড The Supreme Court of Bangladesh (High Court Division) Employees (Discipline and Appeal) Rules, 1983-এর বিধি ২(৪) অনুযায়ী অসদাচরণ এবং বিধি ৩(খ)-এর আওতাভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় বিধি ১০(১) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা (Subsistence Allowance) পাবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

S.M. Rafiqul Islam
১ ঘন্টা আগেজালিয়াতির বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সকলকে অনেক ধন্যবাদ। সরকারি সংস্থার প্রতিটি ক্ষেত্রে অনিয়ম আর দূর্ণীতির ব্যপকতা অনেক বেশি। এই দূর্ণীতি ও অনিয়ম রোধ করতে পারলে ১০/১৫ বৎসরে দেশ সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়ার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবে বলে মনে করি।আশাকরি বর্তমান সরকার আইন প্রয়োগে আরো কঠোর হবে। ধন্যবাদ।