‘নিট অ্যান্ড ক্লিন’ নগরী বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নিজেই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে নগরজুড়ে পরিচ্ছন্নতায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছেন। বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে তিনি সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শহরের বিবি রোড, টানবাজার, নিতাইগঞ্জ, চাষাঢ়া, বালুর মাঠ ফুটপাত ও অলিগলি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণের নির্দেশ দেন প্রশাসক। শুধু নির্দেশনাই নয়, তিনি নিজেও কোদাল হাতে নিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করেন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। এ সময় সড়ক, ফুটপাত ও ড্রেনে জমে থাকা বর্জ্য অপসারণ করা হয়।
এ সময় অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, নগরকে পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘চকচকে-ঝকঝকে, নিট অ্যান্ড ক্লিন’ নগর গড়ার যে বার্তা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নিরলসভাবে কাজ করছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে এটি সম্ভব নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না। বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে ডাস্টবিন ও পলিথিন বিন স্থাপন করা হবে। নগরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। কোথাও ময়লা-আবর্জনা, ড্রেনের সমস্যা বা অন্য কোনো পরিচ্ছন্নতা-সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে সঙ্গে সঙ্গে সিটি করপোরেশনকে জানাতে হবে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি নাগরিক দায়িত্ববোধেরও অংশ। নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। ‘মিশন নিট অ্যান্ড ক্লিন’-এর আওতায় এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভবিষ্যতেও নগরের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়।
