আরেকবার সেই বেনজামিন সেসকোই পূর্ণ ৩ পয়েন্ট এনে দিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে এভারটনের মাঠে সোমবার রেড ডেভিলদের জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন এ স্লোভেনিয়ান ফরোয়ার্ড। ম্যাচের পর শিষ্যদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ মাইকেল ক্যারিক। সেই সঙ্গে, নিজের ওপর প্রবল বিশ্বাসের কথা জানালেন সেসকো।
এদিনের জয়ে ক্যারিকের হাত ধরে ফের পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে এসেছে ইউনাইটেড। ২৭ ম্যাচে ১৩ জয়, ৯ হার ও ৫ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৪৮। এ পথচলায় বড় অবদান সেসকোর। শেষ চার ম্যাচের মধ্যে তিনবারই বদলি হিসেবে নেমে গোল করলেন এ ২২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। এভারটনের মাঠে ৫৮তম মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে ৭১তম মিনিটে মাথায় কাঙ্ক্ষিত গোলটি করেন সেসকো। ম্যাচের পর তিনি বলেন, ‘নিজের ওপর আমার প্রবল বিশ্বাস আছে এবং সতীর্থরাও আমার ওপর ভরসা রাখে। আমি মাঠে নামলে তারা কী আশা করতে পারে, তারা জানে। এরপর তা পূরণ করার দায়িত্ব আমার। সে কাজটি করতে পেরে ভালো লাগছে।’ গোলের উৎস এবং ফিনিশিংয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করে ক্যারিক বলেন, ‘এটি দুর্দান্ত ফিনিশিং ছিল। নিখুঁত ফিনিশ। সে যেভাবে সত্যিকারের আত্মবিশ্বাসে বল জালে পাঠিয়েছে, আমার খুবই ভালো লেগেছে। (মাথেউস) কুনহা বলটি অসাধারণভাবে (ব্রায়ান) এমবুমোকে দিয়েছে এবং সে দারুণভাবে (সেসকোকে) বল বানিয়ে দিয়েছে। প্রতি আক্রমণে আমরা বিপজ্জনক দল।’
ইউনাইটেডের প্রতি আক্রমণটি ছিল দেখার মতো। এভারটনের ডান প্রান্তের আক্রমণে ডি-বক্সের ভেতর থেকে হেডে ফিরিয়ে দেন হ্যারি ম্যাগুয়ার। সতীর্থের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে বক্সের সামান্য বাইরে থেকে দূরপাল্লার পাসে এমবুমোকে খুঁজে নেন কুনহা। প্রতিপক্ষের একজনের সামনে থেকে ফাঁকায় ছুটে আসতে সেসকোর দিকে বল পাঠান তিনি। প্রায় পেনাল্টি স্পট থেকে প্রথম ছোঁয়াতেই লক্ষ্যভেদ করেন সেসকো।
পরবর্তী ম্যাচে প্রিমিয়ার লীগে আগামী ১লা মার্চ ক্রিস্টাল প্যালেসকে আতিথেয়তা জানাবে ইউনাইটেড।
