পটুয়াখালীর দশমিনায় পরিবহন সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-মিছিল, মানববন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন স্থানীয় যাত্রীরা। মঙ্গলবার সাধারণ যাত্রীদের ব্যানারে নলখোলা বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল জোমাদ্দার, সাফায়েত হোসেন প্রমুখ। পরে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পরিবহন মালিকরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ঢাকা, দুমকি, বাউফল, দশমিনা, ও গলাচিপা রুটে সিন্ডিকেট করে ভাড়া বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গাড়ি চলাচল করায় যাত্রীরা অন্যান্য পরিবহনে নিজের ইচ্ছামতো যাতায়াত করতে পারছে না।
সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ যাত্রীদের অতিরিক্ত অর্থ লোপাট করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত দশমিনা এক্সপ্রেস পরিবহনের স্বত্বাধিকারী মো. রাসেল হোসেন সকল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, দীর্ঘ বছর ওই রুটে পরিবহন চালিয়ে আমাদের পরিবহন মালিকদের লাখ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।
তাই পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির সঙ্গে পরামর্শ করে ঢাকা থেকে দুমকি, বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা রুটে পরিবহনের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। এখন এই রুটে ছয়টি কোম্পানির ৪০টি বাস চলাচল করছে। আগে ওই রুটে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ছিল। বর্তমানে পরিবহন সেক্টর শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
